জামিন পেলেন বিমানের ১০ কর্মকর্তা
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১৩ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৮ঃ২৫
কার্গো শাখার ১১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাবেক ও বর্তমান ১০ কর্মকর্তাকে জামিন দিয়েছে আদালত। ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ সোমবার (১৩ জানুয়ারি) তাদের জামিনের আদেশ দেন।
জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন- বিমানের সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) মো. লুতফে জামাল, সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন তালুকদার (কার্গো শাখা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক রাজিব হাসান (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক নাসির উদ্দিন তালুকদার (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক কে এন আলম (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), সহকারী ব্যবস্থাপক মো. ফজলুল হক, (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে কার্গো আমদানি শাখা), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক সৈয়দ আহমদ পাটোয়ারি (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত), সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক মনির আহমেদ মজুমদার (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে পিআরএল), সাবেক ব্যবস্থাপক এ কে এম মঞ্জুরুল হক (আমদানি, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) এবং সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান (বাণিজ্যিক, কার্গো শাখা, বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত)।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার আসামিরা আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য আবেদন করেন। ১০ আসামির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান জামিন শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মাহামুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জামিনের বিরোধিতা করেন।
এর আগে গত ১৭ ডিসেম্বর মামলাটিতে বিমানের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সাবেক পরিচালক আলী আহসান বাবু ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ইফতিখার হোসেন চৌধুরীকে জামিন দেয় আদালত। গত ৩ ডিসেম্বর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ ১৬ জনের বিরুদ্ধে ওই মামলাটি করেন দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কার্গো শাখায় দায়িত্ব পালনকালে পারষ্পরিক যোগসাজশে অবৈধ সুবিধা নিয়ে কার্গো ও মেইল হ্যান্ডলিং চার্জের ১১৮ কোটি চার লাখ ১৭ হাজার ৪৮ টাকা আদায় না করে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করেছেন। ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর সময়ে অর্থ আত্মসাতের এ ঘটনা ঘটে। এ অপরাধে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪১৮/১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

