হলি আর্টিজান মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে

হলি আর্টিজান মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২০ । আপডেট: ২১:৫০

হলি আর্টিজান হামলা মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল শুনানির জন্য তৈরি করা পেপারবুক বিজি প্রেস থেকে হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সুপ্রিমকোর্টের মুখপাত্র ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘বিজি প্রেস থেকে রবিবার (১৬ আগস্ট) পেপারবুক হাইকোর্টে এসে পৌঁছেছে।’ তিনি জানান, এখন নিয়ম অনুসারে মামলার পেপারবুক প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হবে। পরে প্রধান বিচারপতি মামলার শুনানির জন্য হাইকোর্টে বেঞ্চ গঠন করে দেবেন।

মামলার অভিযোগপত্র অনুসারে, গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলার ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে। ওইদিন হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় জঙ্গিদের গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ।

২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করার মধ্য দিয়ে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। টানা একবছর মামলার বিচার শেষে ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। বিচারিক আদালতের রায়ে ৭ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও একজনকে খালাস দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো— হামলার মূল সমন্বয়ক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‍্যাশ, ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ। প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার অপর আসামি মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানকে খালাস দেওয়া হয়।

এরপর ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স ও খালাস চেয়ে করা আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য মামলার নথিপত্র বিচারিক আদালত থেকে হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এ লক্ষ্যে বিচারিক আদালতের যাবতীয় নথি তথা মামলার এজাহার, জব্দ তালিকা, চার্জশিট, সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও রায়সহ মোট ২ হাজার ৩০৭ পৃষ্ঠার নথিপত্র হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় জমা করা হয়। পরে মামলার যাবতীয় নথিপত্র একত্রিত করে আপিল শুনানির উত্থাপনের জন্য পেপারবুক তৈরি করতে বিজি প্রেসে পাঠিয়েছিল সুপিম কোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা। তথ্য সহায়তা বাংলাট্রিবিউন।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading