ট্রাম্পের দ্রুত সুস্থতা কামনা বিশ্বনেতাদের
উত্তরদক্ষিণ | শুক্রবার, ০২ অক্টোবর, ২০২০ | আপডেট: ১৮:৪৩
বিশ্বনেতারা কোভিড-১৯ আক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। যুক্তরাজ্যের আবাসন মন্ত্রী রবার্ট জেনরিক বলেন, ‘‘আমাদের সবার পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি ও ট্রাম্পের পরিবারের জন্য শুভকামনা পাঠাতে চাই এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।”
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও গত মার্চে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। অসুস্থতা বাড়ায় ৭ এপ্রিল তাকে আইসিইউতে নিতে হয়। সুস্থ হওয়ার পর তিনি জানিয়েছিলেন, কোভিড-১৯ তাকে প্রায় মৃত্যুর দুয়ারে পৌঁছে দিয়েছিল। চিকিৎসকদের অক্লান্ত চেষ্টায় সে যাত্রায় তিনি বেঁচে ফিরতে পেরেছেন।
জেনরিক বলেন, ‘‘আমরা জানি এরকম পরিস্থিতি কতটা উদ্বেগের। আমাদের বেলায় প্রধানমন্ত্রী যখন কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন তখন রাজনীতিকে একপাশে সরিয়ে রেখে আমরা সবাই তার এবং তার স্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছি। ‘‘সেরকম পরিস্থিতি হলে কী করতে হবে সেটা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে। প্রয়োজনে ভাইস প্রেসিডেন্ট তো আছেন, তাই নয় কি?”
এদিকে, ট্রাম্প ও মেলানিয়ার আক্রান্ত হওয়ার খবর জানার পর এক টুইটে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রার্থনার কথা জানিয়েছেন।
টুইটে পেন্স লেখেন, ‘‘আমি এবং ক্যারেন আমাদের প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়াকে আমাদের ভালোবাসা এবং তাদের জন্য আমাদের প্রার্থনা করার কথা জানিয়েছে। আমেরিকার লাখ লাখ মানুষ তাদের দ্রুত এবং সম্পূর্ণ আরোগ্যলাভের জন্য প্রার্থনা করেছে, আমরাও সেই দলে আছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমাদের অসাধারণ ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া, ঈশ্বর আপনাদের রক্ষা করুন।”
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ট্রাম্প ও মেলানিয়ার সুস্থতা কামনা করে টুইট করেছেন। ট্রাম্পকে বন্ধু সম্বোধন করে শুক্রবার সকালে এক টুইটে মোদী লেখেন, ‘‘আমার বন্ধু ডনাল্ড ট্রাম্প এবং মেলানিয়া ট্রাম্পের দ্রুত সুস্থতা এবং তাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।”
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এক টুইটে ট্রাম্প নিজেই তার এবং মেলানিয়ার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানান। তারা দুইজনই আপাতত হোয়াইট হাউজে কোয়ারেন্টিনে থাকার পরিকল্পনা করেছেন। হোয়াইট হাউজের চিকিৎসক দল তাদের দেখভাল করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র একমাস আগে ট্রাম্পের অসুস্থ হয়ে পড়া স্বাভাবিকভাবেই তার নির্বাচনী প্রচারে বিঘ্ন ঘটাবে।

