রেল দিবসে ‘ঐতিহ্য ফেরানোর’ আশা রেলমন্ত্রীর
উত্তরদক্ষিণ | রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০ | আপডেট: ১৯:৫০
‘সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে’ রেলের পুরনো ঐতিহ্য ‘ফিরিয়ে আনার’ আশার কথা শুনিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। রবিবার (১৫ নভেম্বর) রেল দিবসের আলোচনা সভায় তিনি বলেছেন, পূর্বের সব সরকারের ‘ভ্রান্ত নীতির’ কারণে বাংলাদেশে রেল পিছিয়ে পড়েছে।
“একটা সময় রেলওয়ের স্কুল, হাসপাতাল, নিজস্ব ক্রিকেট ও ফুটবল টিম ছিল। দুরারোগ্য রোগীর রোগ যেমন, এসব প্রতিষ্ঠানের অবস্থাও এখন একইরকম। সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা রেলের সেসব ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনব।” সেই লক্ষ্যে রেলওয়ের জনবল কাঠামোর ঘাটতি পূরণে নতুন একটি ‘অর্গানোগ্রাম’ তৈরি করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়া জেলার জগতি পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইন চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশে রেলওয়ের সেবা শুরু হয়। সেই দিনটি স্মরণের অংশ হিসেবে এ বছর থেকেই ‘রেল দিবস’ উদযাপন করছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
রেলসচিব সেলিম রেজা বলেন, “জনবলের অভাবে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী আমরা রেল ব্যবস্থাকে সাজাতে পারছি না। তবে এতে যে প্রথম বাধা ছিল, নিয়োগবিধি… সেটা আমরা আশা করছি, এ সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যাবে।
“আগে কেউ বলতে পারত না, রেলের সাংগঠনিক কাঠামো স্বীকৃত ছিল না, যাও ছিল তা এলোমেলো অবস্থায় রয়েছে। তবে আশার কথা হল, সম্প্রতি ৪৭ হাজার ৬৩৪ জনের সাংগঠনিক কাঠামো আমরা করে ফেলেছি, যা অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকেও অনুমোদন পেয়েছে। ৫৫০ পৃষ্ঠার জিও গত সপ্তাহে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পেয়েছি। এটা একটা সংগঠনের বড় কাজ।”
চলমান বড় প্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা গেলে ২০২৪ সালের মধ্যে জনগণকে ‘আরামদায়ক, সাশ্রয়ী ও নিরাপ’ রেলওয়ে উপহার দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রেল সচিব।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অডিট ও আইসিটি) ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নিয়াজ হাসান আলোচনায় অংশ নেন।

