আফগানিস্তানে যাওয়া ঐতিহাসিক ভুল: ট্রাম্প

আফগানিস্তানে যাওয়া ঐতিহাসিক ভুল: ট্রাম্প

উত্তরদক্ষিণ| বুধবার, ১৮ আগস্ট ২০২১| আপডেট ১৪:১০

আফগানিস্তান নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য সাবেক আমেরিকার প্রেসিডেন্টে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। কিছুদিন আগে বাইডেনকে এক হাত নিয়েছিলেন তিনি। এবার পূর্ববর্তী আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ জুনিয়রের বিরুদ্ধে সরব হলেন সাবেক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, ২০০১ সালে আফগানিস্তানে আমেরিকান সেনা পাঠানো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল। এ কথা বলেই তিনি জানিয়েছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বুশ তার এই মন্তব্যে আঘাত পেতে পারেন। কিন্তু তিনি তার মতে অনড় থাকবেন।

শুধু আফগানিস্তানে নয়, গোটা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান সেনা পাঠানোই ভুল সিদ্ধান্ত। তার কথায়, ”আমরা মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করেছি। এর জন্য আমাদের কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। হাজার হাজার আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়েছে। সব ধ্বংস হয়েছে।”

কিছুদিন আগে ট্রাম্প এভাবেই আক্রমণ করেছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। বলেছিলেন, আফগানিস্তানের বর্তমান অবস্থার জন্য বাইডেনের পদত্যাগ করা উচিত। গোটা পরিস্থিতির দায় বর্তমান প্রেসিডেন্টকেই নিতে হবে।

তবে ট্রাম্পের এইসব মন্তব্য ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ট্রাম্প যদি সত্যিই মনে করেন যে আফগানিস্তানসহ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান সেনা পাঠানো ভুল সিদ্ধান্ত, তাহলে তার ক্ষমতাকালে তিনি সেনা প্রত্যাহার করলেন না কেন? ট্রাম্প অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছেন, তিনি চেয়েছিলেন জুনের মধ্যে সমস্ত সেনা প্রত্যাহার করা হোক। প্রশ্ন উঠছে, ক্ষমতায় এসেই সে কাজ করলেন না কেন তিনি? কেন এত বছর অপেক্ষা করলেন?

বাইডেন শিবিরের প্রশ্ন, তালেবানের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন ট্রাম্প। সেই চুক্তি নিয়ে এখন কী বলবেন তিনি? তালেবানের সঙ্গে সমঝোতা কি ঐতিহাসিক ভুল নয়? প্রশ্ন উঠছে, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করাও ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত। বাইডেন এসে কেবল তা রূপায়ণ করেছেন। ফলে আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য যদি বাইডেন দায়ী হন, তাহলে ট্রাম্প নন কেন?

ইউডি/বিকে

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading