বিহারে ‘ভেজাল মদ পানে’ ২৪ মৃত্যু

বিহারে ‘ভেজাল মদ পানে’ ২৪ মৃত্যু

উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ০৫ নভেম্বর ২০২১। আপডেট ১৪:২২

ভারতের বিহারে ‘ভেজাল মদ’ পানের ঘটনায় ২ দিনে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যমগুলো।

এর মধ্যে ওয়েস্ট চাম্পারান জেলায় বেতিয়ার তেলহুয়া গ্রামে স্থানীয়ভাবে তৈরি মদ বা হুচ পানে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। গোপালগঞ্জের কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার আরও ৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পর জেলাটিতেও ‘ভেজাল মদের বিষক্রিয়ায়’ মৃত্যু ১৬ জনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে কোনো জেলার কর্তৃপক্ষই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই ২৪ জনের মৃত্যুর কারণ জানায়নি।

তেলহুয়া নিয়ে গত ১০ দিনে বিহারের উত্তরাঞ্চলে তিনটি ‘হুচ ট্র্যাজেডির’ খবর পাওয়ার কথা জানিয়েছে এনডিটিভি।

গ্রামবাসীরা জানান, বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তেলহুয়া গ্রামে ‘মদ পান করার পর’ ৮ জন ভয়াবহ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার তাদের মৃত্যু হয়।

‘ভেজাল মদ পান করা’ আরও কয়েক গ্রামবাসীকেও ওই এলাকার কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিহারে মদ উৎপাদন, বিক্রি ও পান নিষিদ্ধ। রাজ্যটির মন্ত্রী জনক রাম ‘ভেজাল মদ পানে’ মৃত্যুর খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জে ছুটে যান।

“যারা মারা গেছে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছি। এনডিএ সরকারের বদনাম করার ষড়যন্ত্রও হতে পারে এটি,” বলেছেন তিনি।

গোপালগঞ্জের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা আনন্দ কুমার বলেন, “গত দুই দিনে জেলার মুহাম্মাদপুর গ্রামে রহস্যজনক কারণে কিছু লোকের মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন না পাওয়ায় তাদের মৃত্যুর কারণ বলা যাচ্ছে না। পুলিশের তিনটি দল ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।”

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, এরই মধ্যে কয়েকটি মরদেহ তাদের পরিবার দাহ করে ফেলেছে।

বৃহস্পতিবার ছয়জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তারা জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা গেছে দুইজন।

“প্রাথমিকভাবে এই মৃত্যুগুলো বিষাক্ত কিছু খেয়ে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ একটি মামলা করেছে। মঙ্গল ও বুধবারের মধ্যে হওয়া এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতসন্দেহে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,” বলেছে পুলিশ।

mashiurjarif

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading