খালেদা জিয়ার আবার রক্তক্ষরণ হলে বন্ধের চিকিৎসা দেশে নেই: চিকিৎসক

খালেদা জিয়ার আবার রক্তক্ষরণ হলে বন্ধের চিকিৎসা দেশে নেই: চিকিৎসক
খালেদা জিয়া

উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১। আপডেট ০৭:৪০

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস শনাক্ত হয়েছে জানিয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান প্রফেসর ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য এ মুহূর্তে যে প্রযুক্তি দরকার তা ভারতীয় উপমহাদেশে নেই।

এসমস্ত চিকিৎসা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানিতে সম্ভব। এখনই দেশের বাইরে না নেওয়া হলে আবার রক্তক্ষরণ হলে বন্ধের চিকিৎসা দেশে নেই বলে জানান তিনি।

রোববার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান ডা. এফ এম সিদ্দিকী।

বিফ্রিংয়ে দেওয়া প্রফেসর ডা. এফ এম সিদ্দিকী’র বক্তব্য তুলে ধরা হলো-

ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কিন্তু আমরা যারা প্রধান চিকিৎসক আছি, এ বিষয়টি সম্পর্কে ভালো জানি।

জটিল পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে। তার এ পর্যন্ত ৩ বার মারাত্মক ব্লিডিং হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রিব্লিডিং হয়নি। আবার যদি রিব্লিডিং হয়, তবে তা নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা এখানে নেই। সেক্ষেত্রে তার ব্লিডিং হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে।

বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ দক্ষ চিকিৎসকদের সহায়তায় সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়ে খালেদা জিয়াকে তারা বর্তমানে ‘স্থিতিশীল’ (স্ট্যাবল) রাখতে পেরেছেন। তবে তার চূড়ান্ত চিকিৎসার জন্য যেটি করা প্রয়োজন, সে প্রসঙ্গে তারা অনেকটাই ‘অসহায়’ (হেল্পলেস) বোধ করছেন।

১২ নভেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বাসায় চলে গিয়েছিলেন। কয়েকদিন ভালোও ছিলেন। এর মধ্যে হঠাৎ করে আমরা ইনফরমেশন পেলাম— তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছেন, কয়েক কদম হাঁটতে গিয়েই হাঁপিয়ে পড়ছিলেন। তখন আমি ডা. এ জেড জাহিদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারলাম, তিনি অত্যন্ত ফ্যাকাসে ও দুর্বল হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার রাতেই ২টার সময় বাসা থেকে তার রক্তের নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। সকালে রিপোর্টে আমরা দেখলাম, তার হিমোগ্লোবিন ড্রপ করেছে। তাৎক্ষণিকভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

mashiurjarif

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading