থার্টিফার্স্ট নাইটে প্রস্তুত পুলিশ: কমিশনার
উত্তরদক্ষিণ । বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ । আপডেট ২০:৪৫
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘থার্টিফার্স্ট নাইটে যে কোনো ধরনের আশঙ্কায় পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তবে মহামারি করোনার কারণে এবার রাতের আয়েজন সীমিত পরিসরে করার আহ্বান করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপির গণমাধ্যম শাখায় ‘থার্টিফার্স্ট নাইট নিরাপত্তা বিষয়ক’ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘৩১ ডিসেম্বর রাতে পটকা, আতশবাজি, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ যেকোনো ধরনের অসভ্য আচরণ ও বেআইনি কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে হবে। ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ে কোনো ধরনের আশঙ্কা নেই। নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বেশ কিছু নির্দেশনাও পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে।’
উৎসব উদযাপনের নামে এই রাতে কিছু উশৃংখল ব্যক্তির নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য বিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে। আনন্দের নামে নানা ধরনের কর্মকাণ্ড করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয় বলে পুলিশ মনে করে।
রাতের সার্বিক নিরাপত্তা আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভারের রাস্তা এবং প্রকাশ্যে স্থানে কোনো ধরনের জমায়েত, সমাবেশ বা উৎসব করা যাবে না।
ডিএমপি পুলিশ প্রধান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর বহিরাগত কোনো ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন পরিচয় পত্র দেখানো সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবে। এছাড়া এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারী রাত ৮টার পর ওই এলাকায় প্রবেশ করতে গেলে পুলিশ সদস্যদের পরিচয় পত্র দেখাতে হবে।
গুলশান, বনানী, বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগত প্রবেশ করতে পারবে না। তবে ওই এলাকায় বসবাসরত নাগরিককে নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, কাকলী ক্রসিং এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রবেশ করতে হবে। এসব নিরাপত্তা নির্দেশনা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পোশাকে ও সাদা পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
ইউডি/সুস্মিত

