বেপরোয়া চলাফেরায় বাড়ছে ওমিক্রন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বেপরোয়া চলাফেরায় বাড়ছে ওমিক্রন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২ । আপডেট ১৭:০০

বেপরোয়া চলাফেরায় করোনা ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ বেড়েছে ৭০-৮০ ভাগ বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

‘কোভিড-১৯ এর নতুন ভ্যারিয়েন্ট অমিক্রনের পরিস্থিতি মোকাবেলায়’ বেসরকারি হাসপাতালের প্রস্তুতি নিয়ে মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ৩টায় এক ভার্চুয়াল সভায় মন্ত্রণালয় থেকে যুক্ত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সভাটির আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ওমিক্রন মাইল্ড- কথাটি সঠিক নয়। মাইল্ড হলেও সংক্রমণ ঠিকই বাড়াচ্ছে। ওমিক্রন নিয়ে হেলাফেলা করা যাবে না। কারণ সংক্রমণের সংখ্যা বেশি হলে মৃত্যু কিন্তু বাড়বে। তাহলে আমাদের অর্থনীতির অবস্থা খারাপ হবে। এখন যেটা ভালো আছে।

দেশে আগের মত ভীতি সঞ্চারকারী পরিবেশ তৈরি হচ্ছে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন আমরা অনেকটাই প্রস্তুত। হাসপাতাল গুলো আগের থেকে বেশি সুসজ্জিত হয়েছে।

জাহেদ মালেক বলেন, করোনা রোগী দিয়ে হাসপাতালগুলোর এক হাজারের বেশি বেড পূর্ণ হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালের ৫০০ বেড ভরে গেছে। এবার শনাক্ত বেশি হলেও হাসপাতালে রোগী ওভাবে বাড়ছে না। মৃত্যুও সেভাবে বাড়ছে না।

হাসপাতালে আসা রোগীর ৮৫ শতাংশ ভ্যাকসিন নেন জানিয়ে তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসা রোগীর ৮৫ শতাংশ ভ্যাকসিন নেননি। ঢাকা শহরের সরকারি হাসপাতালগুলো শয্যার তুলনায় ২৫ শতাংশ রোগী ভর্তি রয়েছে।

জাহেদ মালিক জানান, ৯ কোটি প্রথম ডোজ আর ৬ কোটি দ্বিতীয় ডোজ মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে ১৫ কোটি টিকা। নিশ্চিত করা হচ্ছে বুস্টার ডোজও। যার ফলে হাসপাতালগুলোতে অনেকটা চাপ কমে আসবে।

তবে ‘ক্লাস্টার শ্রেণি’কে টিকার আওতায় আনতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানান জাহেদ মালিক। ক্ষুদ্র দোকানদার ও শ্রমজীবী কিছু কিছু শ্রেণিতে এখনও টিকা নেওয়ার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে বলে তিনি বলেন, আমরা দেখছি কীভাবে রিচ করা যায়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়- অফিস আদালত ও সব প্রতিষ্ঠানে ‘ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট’ ব্যবহার নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে বলেও জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। সংক্রমণের হার কমাতে বরাবরের মতোই তিনি বলেন, মাস্ক ব্যবহারের কোনও বিকল্প নেই। মাস্ক- স্বাস্থ্য সচেতনতা এসব নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

বিপিএমসিএর এ ভার্চুয়াল সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- রাখেন ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের পরিচালক (শিক্ষা) এ এইচএম এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. ফরিদউদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান।

ইউডি/অনিক

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading