লিভ-ইনে সোহিনী, বিয়ের পরিকল্পনা জানালেন প্রেমিক

লিভ-ইনে সোহিনী, বিয়ের পরিকল্পনা জানালেন প্রেমিক

উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ৪ মার্চ ২০২২ । আপডেট ১৫:১০

টলিউড অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন এই নায়িকা। সর্বশেষ অভিনেতা রণজয় বিষ্ণুর সঙ্গে হয়েছে তার মনের লেনাদেনা। এখন তার সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করছেন। লকডাউনে একসঙ্গেও থেকেছেন তারা। খবর উড়ছে, পূর্বের মতো নতুন প্রেমিকের সঙ্গে লিভ-ইন করছেন সোহিনী। ইন্ডিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন সোহিনীর প্রেমিক।

সোহিনীর সঙ্গে অনেকদিন ধরে লিভ-ইনে আছেন। এ প্রসঙ্গ তুলতেই রণজয় বলেন—‘সেমি লিভ-ইন বলা যায়। কখনো সোহিনী আমার বাড়িতে চলে আসে, কখনো আমি ওর বাড়িতে চলে যাই। কখনো যে যার মতো থাকি। আর আমাদের পরিবারও এ ব্যাপারে খুব উদার মানসিকতার। আমরা একে অপরকে পছন্দ করি, একসঙ্গে চলতে চাই, সেটাকে সকলে সম্মান করেন।’

বিয়ের পরিকল্পনা কত দূর? জবাবে রণজয় বলেন, ‘বিয়ের পরিকল্পনা তো নিজেদের মধ্যে চলতেই থাকে। সম্পর্কের প্রায় তিন বছর হয়ে গেল। সব কিছু ঠিক করে দিনটা জানাব। শুধু তো আমাদের উপরে ব্যাপারটা নির্ভর করছে না। এতদিন করোনা সংকট ছিল, এখন যুদ্ধ-যুদ্ধ হাওয়া। তবে আমরা খুব জমকালো কিছু করব না, খুব সাদামাঠাভাবে বিয়ে করার ইচ্ছে।

সাদামাঠা আয়োজনে বিয়ে করার কারণ ব্যাখ্যা করে রণজয় বলেন, ‘আসলে আমরাও খুব সিম্পল। আমরা অভিনেতা। তারকা হয়ে দূরের আকাশের নক্ষত্র হতে চাই না, মানুষের মাঝে মাটির কাছাকাছি থাকতে চাই। যে মানুষদের জন্য আমাদের কাজ, তাদের সঙ্গে জুড়ে থাকতে ভালোবাসি। আমার চেয়ে সোহিনীর পরিচিতি তো বেশি। কিন্তু আমরা খুব সাধারণভাবে থাকি, রিকশা করে কখনো ঘুরতে বেরিয়ে পড়ি। এ-দিক ও-দিক মেলাতেও আমাদের দেখা পাওয়া যায়। আর ঠিক এভাবেই আমরা বাঁচতে চাই।’

রণজয়-সোহিনী প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন ‘জাজমেন্ট ডে’ সিরিজে। তারপর অনেক ফটোশুট একসঙ্গে করেছেন। তবে বন্ধুত্বের শুরু ২০১৩ সালে। আর প্রথম প্রেমের প্রস্তাব দেন রণজয়। সোহিনীর ভাষায়, ‘দার্জিলিংয়ের রাস্তায় রণজয় বিছুটি পাতা দিয়ে আমায় প্রপোজ করেছিল।’

অনির্বাণ ভট্টাচার্যের সঙ্গে সোহিনীর প্রেম ছিল। এসবই জানেন রণজয়। আবার রণজয়ও একাধিক প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। শুধু তাই নয় লিভ-ইন সম্পর্কেও ছিলেন। সে খবরও জানেন সোহিনী। এসব জানার পরও কি তারা এ সম্পর্ক নিয়ে সিরিয়াস? জবাবে রণজয় বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের জীবনে শূন্য জায়গা থাকে। আমার সেই শূন্যস্থানটি পূরণ করেছে সোহিনী। এজন্য সোহিনীর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। আমার অনেক সিক্রেট ওর সঙ্গে শেয়ার করেছি, যা আগে কারো সঙ্গে করিনি।’

ইউডি/সুস্মিত

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading