সাফারি পার্কে এক হাতির ধাক্কায় আরেক হাতির মৃত্যু

সাফারি পার্কে এক হাতির ধাক্কায় আরেক হাতির মৃত্যু

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৩ । আপডেট ১৫:০৫

গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে একটি পুরুষ হাতি মৃত্যু হয়েছে। হাতির মৃত্যুর কারণ ও কারো গাফিলতি আছে কিনা জানতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (০২ জানুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী। হাতির মরদেহের ময়নাতদন্তের পর তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পার্ক কর্তৃপক্ষ।

গত ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর অন্য একটি হাতির আক্রমণে ওই পুরুষ হাতি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা যায়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম এ ঘটনায় গত ২২ ডিসেম্বর শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

তিনি ডায়েরিতে উল্লেখ করেন, গাজীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে হাতিশালায় গত ২১ ডিসেম্বর বেলা ১১টা দিকে অন্য একটি হাতির আক্রমণে মাথায় প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে একটি হাতি মারা যায়। মৃত হাতিটির বয়স আনুমানিক ৪৭ বছর। হাতিটির ময়নাতদন্ত করা হয়। ব্রেন স্টোক করে হাতিটি মারা গেছে বলে সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কের প্রকল্প পরিচালক মো. ইমরান হাসান বলেন, মারা যাওয়া হাতিটি ছিল পুরুষ। সাফারি পার্কে ৯টি হাতি ছিলো। এর মধ্যে ৭টি পুরুষ ও ২টি মাদি। একটি হাতি মারা যাওয়ায় এখন হাতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮টি।

প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী জানান, গত ২১ ডিসেম্বর সাফারি পার্কে হাতিশালায় একটি হাতি মারা গেছে। হাতিটির বয়স হয়েছিল ৪৭ থেকে ৪৮ বছর। বয়সের কারণে শারিরিকভাবে অনেকটা দুর্বল ছিল হাতিটি। ওইদিন হাতিশালায় অপর একটি হাতি আক্রমণ করে ওই হাতিকে ধাক্কায় দিয়ে পিলারের উপর ফেলে দেয়। এতে গুরুতর আঘাত পায় হাতিটি। কিছুক্ষণ পর হাতিটি মারা যায়। হাতিটির ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে হাতির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এছাড়া হাতি মৃত্যুর কারণে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, হাতি মৃত্যুর ঘটনায় পার্ক কর্তৃপক্ষ শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে। এতে মৃত্যুর কারণ হিসেবে হাতিদের মধ্যে মারামারি কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading