ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি, দেশজুড়ে বিক্ষোভ: ইমরান খান গ্রেপ্তার
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১০ মে ২০২৩ । আপডেট ১২:৫০
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার (০৯ মে) ইসলামাবাদ হাইকোর্টের আদালত চত্বরে পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী রেঞ্জার্স ও দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো’র (ন্যাব) একটি যৌথ দল তাকে গ্রেপ্তার করে। অর্থনৈতিক সংকটে বিধ্বস্ত পাকিস্তানে ইমরান খানের গ্রেপ্তার দেশটির রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়াবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকগণ। এ নিয়ে আরেফিন বাঁধনের প্রতিবেদন
পিটিআই সমর্থকদের ক্ষোভে: ‘শাট ডাউন পাকিস্তান’
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ, ধর্ম অবমাননা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের প্ররোচণাসহ ১২১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একাধিক মামলার জামিন নেয়ার জন্য মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টে যান তিনি। সেখানেই আদালত চত্ত¡র থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দেশটির পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজি) আকবর নাসির খানের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে ইসলামাবাদ পুলিশ। এতে বলা হয়েছে, ইমরান খান ক্ষমতায় থাকাকালে আল-কাদির ট্রাস্টকে বাহরিয়া টাউনে ৫৩০ মিলিয়ন রুপি মূল্যের জমি অবৈধভাবে বরাদ্দ দিয়েছিলেন। এই ট্রাস্টের মালিকানায় আছেন পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবি। ইমরান খানকে কাদির ট্রাস্ট মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ইমরান যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন তার নিজের ও স্ত্রীর মালিকানাধীন আল-কাদির ট্রাস্টকে অবৈধভাবে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। দেশটির জাতীয় তদন্ত সংস্থা ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (ন্যাব) জমি বরাদ্দের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। গত ১ মে ইমরান খানের বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেছিলেন ন্যাবের চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) নাজির আহমেদ বাট। ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশটিতে নাটকীয়ভাবে আরও অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তার দল পিটিআইয়ের নেতাকর্মীরা পাকিস্তান অচল করার জন্য বিক্ষোভ শুরু করে রাস্তায় নেমেছে। পাকিস্তানজুড়ে পিটিআই’র কর্মী-সমর্থকেরা বিক্ষোভ করেছেন। ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি, লাহোর, করাচি, গুজরানওয়ালা, ফয়সালাবাদ, মুলতান, পেশোয়ার ও মারদানসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে। ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে চারজনের বেশি জমায়েত। ইসলামাবাদ পুলিশের প্রধান ইতোমধ্যে কড়া বার্তা দিয়েছেন। পুলিশ প্রধান হুমকির স্বরে বলেছেন, কেউ রাস্তায় বিক্ষোভের জন্য নামলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে সমর্থকদের প্রতি পুরো পাকিস্তান অচল করে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে ‘শাট ডাউন পাকিস্তান’ লেখা পোস্টার দেশটির নেটিজেনদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
আইনের বিরুদ্ধে যাইনি, গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বলেছেন ইমরান
গ্রেপ্তারের আঁচ টের পেয়েছিলেন ইমরান খান। মঙ্গলবার আদালতে যাওয়ার পূর্বে একটি ভিডিওবার্তা দিয়েছিলেন তিনি। পাকিস্তানি সাংবাদিক এহতেশাম উল হক তার টুইটার থেকে ইমরান খানের দেওয়া ভিডিওবার্তা প্রকাশ করেন। ভিডিওবার্তায় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে পাকিস্তান ইমরান বলেন, যতক্ষণে আমার কথা আপনাদের কাছে পৌঁছাবে, ততক্ষণে একটি অবৈধ মামলায় আমাকে বন্দী করা হবে। পাকিস্তানে আমাদের মৌলিক ও আইনি অধিকারের দাফন হয়ে গেছে। এরপর হয়তো আপনাদের সঙ্গে আমার কথা বলার সুযোগ হবে না। তাই দু-তিনটি কথা বলতে চাই।
প্রথমত, পাকিস্তানের মানুষ আমাকে ৫০ বছর ধরে চেনে। আমি কখনোই পাকিস্তানের আইনের বিরুদ্ধে যাইনি বা নিয়ম ভাঙিনি। ক্ষমতায় যাওয়ার পর আমি যত লড়াই করেছি তা আইনের গণ্ডির ভেতরে থেকে করেছি। এখন যা হচ্ছে সেটা আমি আইন লঙ্ঘন করেছি বলে হচ্ছে না, এসব করা হচ্ছে যাতে করে আমি সত্যের পথ থেকে পিছু হটি। এই দুর্নীতিগ্রস্ত চোরের দল ও আমদানি করা (বিদেশি মদদে ক্ষমতায় আসা) সরকারকে যেন আমি মেনে নিই। দুই মিনিট ২০ সেকেন্ডের এই ভিডিওবার্তার শেষ ইমরান বলেন, আপনাদের সবার কাছে আমার আবেদন, ন্যায়ের জন্য লড়তে সবাই পথে নামুন। স্বাধীনতা কাউকে থালায় সাজিয়ে দেওয়া হয় না, এর জন্য লড়াই ও পরিশ্রম করতে হয়। এখন সময় এসেছে পথে নামার।

শাহবাজ শরিফ
কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে শাহবাজ সরকার
পাকিস্তানের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইমরান খানকে গ্রেপ্তারের পর আরও তীব্র হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকগণ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ঋণ না পেলে পাকিস্তান ঋণখেলাপি হয়ে পড়বে বলে সতর্ক বার্তার মধ্যেই নতুন করে এই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তীব্রতা পেলো। বিশ্লেষকগণ বলছেন, শরিফ সরকারকে রাজপথে বিক্ষোভ মোকাবিলা করতে হবে। তারা বলছেন, নির্বাচনের সময় ও ধরন নিয়ে দেশটির বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মাঝে রীতিমতো সাপে-বেজিতে যুদ্ধ চলছিল। ইমরান খানের আটকের ভেতর দিয়ে সেই যুদ্ধও নতুন মোড় নেবে। কারণ, পিটিআইয়ের কর্মীরা এখন তাদের সপক্ষে কিছু করার জন্য আদালতের দিকে তাকিয়ে থাকবেন। নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য ইমরানের দলের সঙ্গে সরকারের যে আলোচনা চলছিল নিশ্চিতভাবে বলা যায় তার আর কোনো ভবিষ্যৎ রইল না তা বল্ইা বাহুল্য।
সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, পাকিস্তান কখনোই একটি স্থিতিশীল দেশ ছিল না। দেশটির অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে, রাজনৈতিকভাবে মেরুকরণ করা হয়েছে সমাজকে। লাখ লাখ মানুষ এখনও গত বছরের বিধ্বংসী বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠায় ব্যস্ত। এসবের পাশাপাশি দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলা ও মুদ্রাস্ফীতি বাড়ছেই। অনেকে নিজেদের এবং তাদের সন্তানদের খাবার নিশ্চিত করার জন্য লড়াই করছেন। দেশের যখন এমন করুন দশা তখন পাকিস্তানের ক্ষমতায় কে থাকবেন তা নিয়ে রাজনীতিবিদ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চলছে টানাপড়েন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেহমাল সরফরাজ বলেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা পুরো ব্যবস্থাকে আরও কঠিন করে তুলছে। পাকিস্তানে পুরো ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে। এতে রাজনৈতিক দল বা পাকিস্তানের জনগণ কেউ লাভবান হবে না।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইমরান খানকে ২০২২ সালের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করার পর থেকেই বর্তমান পরিস্থিতির জন্ম হয়। স¤প্রতি স্বতন্ত্র মানবাধিকার গোষ্ঠী হিউম্যান রাইটস কমিশন অব পাকিস্তান (এইচআরসিপি) গণতান্ত্রিক রীতিকে অবমাননা করার জন্য বিবদমান রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করেছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক হারিস খালিক বরেছেন, শুধু রাজনীতি নয়, পুরো সমাজও গভীরভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে বসে এবং জাতীয় স্বার্থের খাতিরে সংলাপের মাধ্যমে নিজেদের বিরোধ মীমাংসা না করলে আমরা রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নোংরা লড়াইয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
আবারও কি আসছে সেনাশাসন?
ইমরানের আটকের ভেতর দিয়ে যে অধ্যায় শুরু হলো, তাকে একধরনের ছদ্ম সেনাশাসন হিসেবে উল্লেখ করা হবে কি না, সে বিষয়ে অবশ্যই ব্যাপক ভিন্নমত থাকবে। তবে সেনাবাহিনীর পূর্ণ সম্মতি ও আগ্রহ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ রকম ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতেন না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকগণ। পাকিস্তানে সেনাশাসনের ইতিহাসের বেশ সমৃদ্ধ ও পুরোনো। ১৯৫৮ সাল থেকে এটা শুরু হয়। প্রধান বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের সিনিয়র নেতা ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, এই সংকটের জন্ম দিয়েছে ‘রাষ্ট্রের ভেতরের রাষ্ট্র’। এর মাধ্যমে তিনি মূলত দেশটির প্রভাবশালী সেনাবাহিনীকে ইঙ্গিত করেছেন। তার কথায়, পাকিস্তান নজিরবিহীন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটের মুখে। ইমরান খানকে উৎখাত ছিল ভুল এবং আমরা দেখছি জনগণ ও ‘ক্ষমতাসীন জান্তা’র মধ্যে এক বিভাজন তৈরি হয়েছে। ইমরান খান পাকিস্তানজুড়ে একের পর এক সমাবেশ ও কর্মসূচির মাধ্যমে শাহবাজ সরকারকে চাপে ফেলতে চাইছেন।
কয়েকজন বিচারকের বিরুদ্ধে সরকার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছে। বিচার বিভাগে এই বিভাজন এবং তীব্র মতবিরোধ সাংবিধানিক সংকটের শঙ্কা তৈরি করছে। মঙ্গলবার ইমরানকে গ্রেফতারের পর ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমের ফারুক ইসলামাবাদে পুলিশ প্রধান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলকে ১৫ মিনিটের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, তিনি ‘সংযম’ দেখাচ্ছেন এবং সতর্ক করে বলেছেন ১৫ মিনিটের মধ্যে ইসলামাবাদের পুলিশ প্রধান আদালতে হাজির না হলে প্রধানমন্ত্রীকে ‘তলব’ করা হবে। আমের ফারুক বলেন, দ্রুত আদালতে আসুন এবং আমাদের জানান কোন মামলায় ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিরোধ আরও বাড়বে। বিচার ব্যবস্থা, রাজনীতি ও সাংবিধানিক সংকট আরও জোরালো হবে অর্থনৈতিক নিম্নমুখীতার কারণে। ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ফেলো মাদিহা আফজাল সতর্ক করে বলছেন, আমি দেখছি এই সংকট গভীর হচ্ছে। এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুব কঠিন হবে। সেনাবাহিনী, আইনসভা ও বেসামরিক সরকার ও বিচারব্যবস্থা-সবাই কলঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

দৈনিক উত্তরদক্ষিণ । ১০ মে ২০২৩ । প্রথম পৃষ্ঠা
সরকারের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রেষারেষি: সংকট চরমে
সেনাবাহিনী ও বিচার ব্যবস্থার রাজনীতিকরণ ও মেরুকরণ হয়ে পড়েছে। জনগণের আস্থা নেই তাদের প্রতি। তারা পাকিস্তানকে এই সংকট থেকে টেনে তুলতে পারবে না। পাকিস্তানের এমন দশার জন্য সামরিক এবং গোয়েন্দা পরিষেবাগুলোকে প্রায়শই দায়ী করা হয়। শুরু থেকেই দেশটির সেনাবাহিনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেছে। কখনও কখনও সামরিক অভ্যুত্থানে তারা ক্ষমতা দখল করেছে। অন্য সময়ে পর্দার আড়াল থেকে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করেছে তারা। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, ইমরান খান ২০১৮ সালের নির্বাচনে সেনাবাহিনীর সহায়তায় জয় পেয়েছিলেন। বিরোধীদলে থেকে সেই ইমরান এখন সেনাবাহিনীর সোচ্চার সমালোচক। বিশ্লেষকরা বলছেন, দিনে দিনে পাকিস্তানে সেনাবাহিনীর জনপ্রিয়তা কমছে। আমেরিকার দকক্ষণ এশিয়া বিষয়ক বিশ্লেষক মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, আমার মনে হচ্ছে সেনাবাহিনীর সিনিয়র নেতৃত্ব তাকে (ইমরান খান) রাজনীতিতে না দেখলে খুশিই হবে। আবার সেনাবাহিনীর নিম্ন ও মধ্যম পদের অনেকেই তার কট্টর সমর্থক। ইমরান খান রাজনীতির মেরুকরণ করেছেন। তিনি জনসাধারণ এবং সেনাবাহিনীকেও মেরুকরণ করেছেন। এটা বন্ধ করা কঠিন। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সাংবিধানিক ভ‚মিকার মধ্যে কাজ করতে হবে এবং গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে। দেশটির এক আইনজীবী ইমান মাজারি বলছেন, রাজনীতিকরা একসঙ্গে বসে রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপের বিরোধিতা না করলে আমরা অতীতের মতো বিপর্যয়কর পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। এবার মেরুকরণ চ‚ড়ান্ত খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। সামরিক-বিচারিক সংযোগের ফলে যে ভুলগুলো হয়েছে তার প্রতিকারের প্রয়োজন এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজন। সম্পূর্ণ নৈরাজ্যের দিকে এগিয়ে যেতে না চাইলে নির্বাচন আয়োজনে বিলম্ব করা উচিত হবে না।
ইউডি/এজেএস

