এমভি আব্দুল্লাহ: শেষ হলো ২৩ পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষার পালা

এমভি আব্দুল্লাহ: শেষ হলো ২৩ পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষার পালা

উত্তরদক্ষিণ । মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪, আপডেট ১৭:১৫

জিম্মিদশা থেকে মুক্তির একমাস পর স্বজনদের কাছে ফিরেছেন এমভি আব্দুল্লাহর ২৩ নাবিক। জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়া এই ২৩ নাবিককে নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে এসে পৌঁছেছে এমভি জাহান মনি-৩। মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকেল ৪টার দিকে জাহাজটি জেটিতে পৌঁছায়। এতে শেষ হলো ২৩ পরিবারের দীর্ঘ অপেক্ষার পালা।

দীর্ঘদিন পর কাছে পেয়ে এই নাবিকদের অনেক স্বজন কেঁদে ফেলেন। নাবিকদের বরণ করতে ফুল হাতে জেটিতে আসেন স্বজনরা। এ সময় সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তাদের অপেক্ষমাণ স্বজনরা। নাবিকদের চোখে ছিল পানি, মুখে হাসি। এ হাসি যুদ্ধজয়ের। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম সোহায়েল, কেএসআরএমের পরিচালক, সিইও এবং বন্দরের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা।জলদস্যুদের কবলে থাকার দিনগুলোকে বিভীষিকার দিন বলে আখ্যা দেন এই নাবিকদের বরণ করতে আসা এক স্বজন।

তিনি বলেন, সেই দিনগুলোকে আর মনে করতে চাই না। এক মাস আগে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কাছ থেকে (জিম্মিদশা) মুক্ত হওয়া এমভি আব্দুল্লাহ বাংলাদেশের কুতুবদিয়ায় নোঙ্গর করেছে গত সোমবার সন্ধ্যায়। কিন্তু দেশে ফিরলেও স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করতে তাদের আরও একদিন অপেক্ষা করতে হয়। অপহরণের দীর্ঘ ১ মাস পর গত ১৩ এপ্রিল সোমালিয়ার সময় রাত ১২টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মুক্তি পায় এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজের ২৩ নাবিক। মুক্তির পর জাহাজটি ২২ এপ্রিল কয়লা খালাসের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হামরিয়া বন্দরে পৌঁছায়।

সেখান থেকে চুনাপাথর আমদানির জন্য শনিবার মিনা সাকার বন্দরে যায়। সেখানে দুই দিনের মধ্যে ৫৩ হাজার মেট্রিকটন চুনাপাথর লোড করে জাহাজটি গত ১৪ দিন আগে বাংলাদেশের উদ্দেশে রাওনা হয়। সোমবার বিকেলে বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছায় এমভি আবদুল্লাহ। সেখানে এমভি আবদুল্লাহর দায়িত্ব নেয় ২৩ জন নাবিকের নতুন একটি টিম। জাহাজটিতে ৫৩ হাজার মেট্রিকটন চুনাপাথর থাকায় জাহাজটি কুতুবদিয়ায় নোঙ্গর করা হয়। আজ একটি লাইটারেজ জাহাজে তাদের চট্টগ্রাম নেওয়া হলো।

ইউডি/এজেএস

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading