বস্তায় চালের দাম ও জাত লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী

বস্তায় চালের দাম ও জাত লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী

উত্তরদক্ষিণ । সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪, আপডেট ১৮:৪০

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ধানের দাম নিয়ে কৃষকদের অভিযোগ থাকায় এবার দাম বাড়ানো হয়েছে। ৩০ টাকার ধানের দাম ৩২ টাকা করেছে সরকার। মিনিকেট নামে ধান বা চালের কোনোটিই নেই। তাই নতুন আইনে বস্তায় চালের দাম ও জাত লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় নিয়ামতপুর সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৪’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার সময় সাত কোটি মানুষ পান্তার পানি খেয়ে পার করেছি। দেশের জনসংখ্যা বর্তমানে ১৭ কোটি ছাড়িয়েছে। এরপরও খাদ্যের অভাব নেই। সরকার কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণের পদক্ষেপ নেওয়ায় ফসল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটেছে। এখন স্বল্প সময়ে সীমিত জমিতে অধিক ফসল ফলাতে সক্ষম হচ্ছে কৃষক। প্রযুক্তি ও কৃষির সমন্বয়ের ফলে গত বছর এক কেজি চালও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়নি, এ বছরও হবে না।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও প্রযুক্তি মেলা আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি ও উচ্চ ফলনশীল জাতের সঙ্গে কৃষককে পরিচিত করা হচ্ছে। কৃষকও সাদরে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল গ্রহণ করছে। কৃষকরাই দেশের প্রাণ। কৃষিই মূল চালিকা শক্তি। কৃষিতেই আমাদের সমৃদ্ধি। ধান উৎপাদন ও ভোগে বাংলাদেশর অবস্থান এখন বিশ্বে তৃতীয়। কৃষক বেঁচে থাকলে এদেশে খাদ্যের অভাব হবে না, দুর্ভিক্ষও হবে না।

সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, আওয়ামী লীগ কৃষকবান্ধব সরকার। শেখ হাসিনা কৃষকের বন্ধু। প্রণোদনা ও ভর্তুকি দিয়ে সব সময় কৃষকের পাশে আছে সরকার। এখন প্রয়োজন সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদ। এতে কৃষির জমি বাড়বে, উৎপাদনও বাড়বে। ইতোমধ্যে মডেল হিসেবে অনেক স্থানে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদ হচ্ছে। এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হচ্ছে দিন দিন।

নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমতিয়াজ মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আবেদ হোসেন মিলন বক্তব্য দেন। এছাড়া স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান।

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত এ মেলায় প্রায় ৩০টি স্টল অংশ নেয়। স্টলগুলোতে কৃষি যন্ত্রপাতি ও উন্নত প্রজাতির বিভিন্ন ফসল প্রদর্শন করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে ১ হাজার ২৫০ জন কৃষকের মাঝে উফশী জাতের ধানের বীজ বিতরণ করা হয়।

এর আগে খাদ্যমন্ত্রী নিয়ামতপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ইউডি/এআর

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading