সংস্কার কমিশনের কাজ শুরু ১ অক্টোবর, প্রতিবেদন ডিসেম্বরে
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর), ২০২৪, আপডেট ২৩:২০
রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্যে গঠিত সংস্কার কমিশনসমূহ আগামী ১ অক্টোবর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে এবং পরবর্তী তিন মাস অর্থ্যাৎ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কমিশন তার সংস্কার প্রস্তাবনা সরকারের নিকট উপস্থাপন করবে। কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে সরকার পরবর্তী পর্যায়ে প্রধান রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, ছাত্র প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে পরামর্শ করবে।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৬ সংস্কার কমিশনের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে এসব সিদ্ধান্ত হয়। রাজধানীর তেজগাঁও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারি মাহফুজুল আলম এসব কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, কমিশনগুলো ১ অক্টোবর থেকে তাদের কাজ শুরু করবে এবং আশা করছি ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তারা একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্বিতীয় ধাপে উপদেষ্টাম-লী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংস্কার ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু করবে।
তিনি জানান, এরপর আরও বৃহৎ আকারে আলোচনা হবে যেখানে সমাজের সকল স্তরের মানুষের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার পরে সেগুলো অনলাইনে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, যাতে সকলে তাদের মতামত পাঠাতে পারেন।
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্খার কথা উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা শুধু নির্বাচনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সেটা ছিল একটা রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্ন এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন। বাংলাদেশে যেন আর কোনোদিন, কখনো যেনো ফ্যাসিবাদী শাসন জাঁকিয়ে বসতে না পরে সেটা রোধ করতে কী কী সংস্কার প্রয়োজন সে লক্ষ্য নিয়ে সংস্কার কমিশন প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করেছে বলে জানান তিনি।
ইউডি/এবি

