কৃষকের হাসি লুট করেছে মিষ্টি কুমড়া
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫, আপডেট ১৩:৩০
কিশোরগঞ্জের ইটনায় এবার মিষ্টি কুমড়ার ব্যাপক চাষ ও বাম্পার ফলন হয়েছে। কম সার, কীটনাশক প্রয়োগে আশানুরূপ উৎপাদন হলেও বাজার সিন্ডিকেটের কারণে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায়, মিষ্টি কুমড়া বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছে চাষিরা। পাইকার না আসায় জমিতেই নষ্ট হচ্ছে লাখ লাখ টাকার মিষ্টি কুমড়া। কাঙ্ক্ষিত দাম ও সবজি সংরক্ষণে হাওরে হিমাগার নির্মাণের দাবি কৃষকদের।
ইটনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কয়েক বছর ধরে মিষ্টি কুমড়া আবাদ বাড়ছে। চলতি মৌসুমে ২০৫ হেক্টর পতিত ও অনুর্বর জমিতে সুইট বল, ইউলোকার্ট, ওয়ান্ডার গোল্ড ও বারী মিষ্টি কুমড়া-১ জাতের মিষ্টি কুমড়া আবাদ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় মিষ্টি কুমড়ার বাম্পার ফলন হলেও, কাক্সিক্ষত দাম না পাওয়ায় কুমড়া বিক্রি নিয়ে হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, উপজেলার মৃগা, ধনপুর, বড়িবাড়ি, রায়টুটি, বাদলা ও এলেংজুরীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ৭শতাধিক কৃষক ২০৫ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছেন। গত বছরের তুলনায় এবার আবাদের পরিমাণ ও উৎপাদন বেড়েছে। একর প্রতি ১৮-২০ মেট্রিক টন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইটনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ উজ্জ্বল সাহা বলেন, কম খরচে বেশি লাভের কারণে ইটনায় দিনদিন বাড়ছে মিষ্টি কুমড়া চাষ। চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলন হলে কাঙ্ক্ষি দাম না থাকায় হতাশ কৃষকরা। এসব সবজি স্থানীয় হিমাগারে সংরক্ষণ করতে পারলে বাজারা সিন্ডিকেট ভেঙে পড়তো। লাভবান হতো কৃষক।
ইউডি/ আরকে

