আলোচনা না করেই রাখাইন করিডর দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে: বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫, আপডেট ১৮:৫৫
অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে তড়িঘড়ি করে রাখাইন করিডর দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
তিনি বলেছেন, এটি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। এমন সিদ্ধান্তে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ গাজার মতো পরিস্থিতিতে পড়বে কিনা সেই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা বলেন তিনি। ঐকমত্য কমিশনকে কাজের গতি বাড়িয়ে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে জুলাই চার্টার তৈরির আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সকালে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্নমত থাকলেও সংস্কার প্রশ্নে সবার লক্ষ্য এক।
পাঁচ কমিশনের দেয়া সংস্কার প্রস্তাবনা নিয়ে ঐকমত্য তৈরি করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ২১তম রাজনৈতিক দল হিসেবে মঙ্গলবার বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সঙ্গে বৈঠক করলো ঐকমত্য কমিশন।
সকাল ১০টায় সাইফুল হকের নেতৃত্বে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল যোগ দেয় বৈঠকে।
এসময় কমিশনের সহ সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জাতীয় সনদ শুধু সরকারের আকাঙ্খা নয়, গণতান্ত্রিক সংগ্রামের লক্ষ্যকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সবাই একত্রে পথ খোঁজার চেষ্টা করছে।
প্রায় ৪ ঘণ্টার বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি জানান, ১৬৬টি প্রস্তাবনার মধ্যে ১২১টিতে একমত তার দল।
তিনি বলেন, কাজের গতি বাড়ালে দেড় মাসের মধ্যে জুলাই সনদ তৈরি সম্ভব। সংস্কার এবং নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া একসঙ্গে করার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় রাখাইন করিডর দেয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে লিখিত মতামত নেয়ার পর গত ২০ মার্চ দলগুলোর সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
ইউডি/এআর

