সাংবাদিক তুহিন হত্যা: ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দিলো পুলিশ
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার , ২৫ আগস্ট, ২০২৫, আপডেট ১৭:১৫
গাজীপুরে প্রকাশ্যে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যার ঘটনায় মামলার তদন্ত শেষে ১১ কর্মদিবসের মধ্যে ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।
সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে জিএমপি সদর দফতরের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জিএমপির উপকমিশনার (ডিসি, ক্রাইম) রবিউল হাসান এ তথ্য জানান।
উপ-কমিশনার বলেন, ‘ঘটনা তদন্তের পর ৮ আসামির বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে জমা দেয়া হয়েছে। সাংবাদিক তুহিনের ব্যবহৃত মোবাইল দুটি এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।’
চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলো– জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে প্রধান আসামি কেটু মিজান ওরফে কোপা মিজান (৩৪), তার স্ত্রী পারুল আক্তার ওরফে গোলাপি (২৮), খুলনার সোনাডাঙ্গা উপজেলার ময়লাপোতা গ্রামের হানিফের ছেলে আল-আমিন (২১), কুমিল্লার হোমনা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের হানিফ ভূঁইয়ার ছেলে শাহজালাল (৩২), পাবনার চাটমোহর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া গ্রামের কিয়ামদ্দিন হাসানের ছেলে ফয়সাল হাসান (২৩), শেরপুরের নকলা থানার চিতলিয়া গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে সুমন ওরফে সাব্বির (২৬), রফিকুল ইসলাম আরমান এবং শামীম হোসেন।
সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের স্ত্রী বলেন, ‘মূলত যে ভিডিও করাকে কেন্দ্র করে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে সেই মোবাইল দুটি এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।’
যে ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে দ্রুত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেন তিনি।
ব্রিফিংয়ে জিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও তুহিনের পরিবার এবং দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে। এ হত্যায় সর্বমহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
তুহিন ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
ইউডি/এআর

