স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবি : আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবি : আল্টিমেটাম দিয়ে সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৫, আপডেট ১৩:৫৫

স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে ঢাকার অন্যতম প্রবেশদ্বার গাবতলী ও টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের শিক্ষার্থীরা। তবে এক ঘণ্টা পর আল্টিমেটাম দিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন তারা। শিক্ষার্থীরা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

পুলিশের অনুরোধে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করে এই মুহূর্তে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টা নাগাদ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নেন। এসময় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দেখা দেয় দীর্ঘ যানজট।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্কার কমিশন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও আমাদের বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস দীর্ঘদিন ধরে অস্তিত্বহীনতায় ভুগছে। পার্মানেন্ট ক্যাম্পাস নিশ্চিত না হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধের উপক্রম হয়েছে।

তারা জানান, গত ৩০ দিন ধরে নিজ ক্যাম্পাসে স্থায়ী ক্যাম্পাস আন্দোলনে তার কাছে লিখিত আশ্বাসেও কোন ফল না পেয়ে প্রতারিত হয়ে শিক্ষার্থীরা গত দুইদিন ক্যাম্পাসের সামনে মানববন্ধন করেছে। কিন্তু কোনো ফল না পেয়ে সড়কে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছি।

তাদের দাবিগুলো হলো- সরকার থেকে লিজ পাওয় ৫.৫৭ একর জমি শর্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে করে দিতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, ইউজিসির লাল তালিকা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্ত করতে হবে এবং জমি সম্পূর্ণ দায়মুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতিকে।

এ ব্যাপারে মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইমদাদুল হক বলেন, ঘণ্টাখানেকের মতো সড়ক অবরোধ করেছিল শিক্ষার্থীরা। টেকনিক্যাল ও গাবতলীতে অবরোধের কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

পরে পুলিশের অনুরোধে আল্টিমেটাম দিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরে যান শিক্ষার্থীরা। এক ঘণ্টার মধ্যে দাবি-দাওয়া ব্যাপারে আশ্বাস না এলে তারা আবারও সড়ক অবরোধ করবেন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সড়কে যান চলাচল সচল হয়েছে। এখন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন শিক্ষার্থীরা।

ইউডি/রেজা

Asadujjaman

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading