গণতন্ত্র নিশ্চিত হলে বাস্তুতন্ত্রের অধিকারও নিশ্চিত হবে: তারেক রহমান
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ২০২৫, আপডেট ২৩:৫৫
দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে ‘পশু-পাখি-বন্যপ্রাণী তথা বাস্তুতন্ত্রের অধিকারও নিশ্চিত হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ এর উদ্যোগে দিনব্যাপী ‘প্রাণী ও প্রাণের মেলা’ অনুষ্ঠানে বিকালে এই আলোচনা সভা হয়। মেলায় সৌখিন প্রাণীপ্রেমীরা তাদের পোষা পাখি-পশু নিয়ে আসেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্রের সঙ্গে মানুষের অধিকারের সম্পর্কটা যেমন, বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে পশুপাখি এবং বন্যপ্রাণীর অধিকারের সম্পর্কটা তেমন। রাষ্ট্র রাজনীতিতে গণতন্ত্র এবং শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠিত থাকলে বাস্তবিকভাবেই বাস্ততন্ত্র নিরাপদ থাকে।’
তিনি বলেন, ‘দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে একজন মানুষ একজন, নাগরিক হিসেবে সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হারানোর কারণে আমাদের অনেকের মনে হয়তো এক ধরনের অসহিষ্ণুতার জন্ম নিয়েছে। এই অসহিষ্ণুতা কাটিয়ে একজন মানবিক মানুষ হয়ে ওঠার জন্য মনুষত্ব অর্জন আর পশুত্ব বর্জনই হোক আমাদের অঙ্গীকার। মানুষ হিসাবে আমরা রাষ্ট্র এবং সমাজে নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারলে, অন্য সব প্রাণীর অধিকার সংরক্ষণের ব্যাপারেও আমরা আরও সতর্ক এবং যত্নবান থাকবো।’
‘দেশ হোক সব প্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল’ এই স্লোগানে অনুষ্ঠানে প্রাণীপ্রেমী শাহিনা খান জামান এবং সদ্য প্রয়াত স্কুল শিক্ষক আকাশ কলি দাসকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
‘বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ এর এই অনুষ্ঠানটিকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে অভিহিত করেন সংগঠনটির প্রধান পৃষ্ঠপোষকও। তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক ডামামোডলের বাইরে এসে পশু-প্রাণীপ্রেমী কিছু মানুষের আয়োজনের আজকের প্রাণীবিষয়ক এই আলোচনাটি অবশ্যই অর্থবহ এবং অত্যন্ত ভালো একটি উদ্যোগ।’
তিনি বলেন, ‘দেশের প্রাণীর নিরাপত্তা এবং অধিকার সংরক্ষণের স্বার্থে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গঠন করে সুসংগঠিতভাবে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে আপনাদের এই চলমান উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই এবং আন্তরিক সাফল্য কামনা করি।’
ইউডি/এবি

