বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়া নির্ধারণে আগ্রহী রেলওয়ে
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫, আপডেট ০৮:০০
বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়া নির্ধারণ এবং আয় বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে রেলওয়ের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি, তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে।
রবিবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর রেল ভবনে সড়ক, রেলপথ, যোগাযোগ অবকাঠামো ও পরিবহন সম্পর্কিত খাত নিয়ে কাজ পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফর রেল অ্যান্ড রোড (আরআরআর) আয়োজিত এক মতবিনিময় তিনি এ কথা বলেন।
আফজাল হোসেন বলেন, আমাদের এখন আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি। এক টাকা আয় করতে আমরা দুই টাকা ব্যয় করি। এটি আগে আরও বেশি ছিল, তখন এক টাকা আয় করতে আড়াই টাকা ব্যয় হতো। আমাদের পরিকল্পনা হলো আয়-ব্যয় পার্থক্য কমিয়ে আনা এবং ভাড়া বাড়িয়ে আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো। আমাদের বর্তমান ভাড়া প্রায় ১০ বছর আগের মূল্যে নির্ধারিত, সেই সময় থেকে মেইনটেন্যান্স, স্টাফ বেতনসহ অন্যান্য খরচ বেড়েছে। পেনশনেও প্রায় ১০০০ কোটি টাকা খরচ হয়, যা অপারেটিভ কস্টের অংশ।
তিনি বলেন, আমাদের মোট আয়ের ৮০–৯০ শতাংশ আসে ট্রেন অপারেশন থেকে। বাকি ১০ শতাংশ আসে নন-রেল ব্যবসা থেকে, যেমন অপটিক্যাল ফাইবার, রেলওয়ে ল্যান্ড এবং স্ক্র্যাপ। যদিও স্ক্র্যাপের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের উপর নির্ভরশীল, আমরা যা পারি তা থেকে আয়ের সুযোগ বাড়াচ্ছি। এছাড়া নতুনভাবে ল্যান্ড ব্যবহার এবং অতিরিক্ত কোচ সংযোজনের মাধ্যমে আমরা আয়ের ধারা আরও বৃদ্ধি করতে চাই।
রেলওয়ের মহাপরিচালক বলেন, বর্তমানে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত রোলিং স্টক ও ইঞ্জিন নেই, তাই সব চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। উদাহরণস্বরূপ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে সাম্প্রতিক চার দিনের বন্ধের সময়ে প্রায় ১০০ শতাংশ যাত্রী উপস্থিতি থাকলেও সক্ষমতার অভাবে আমরা সব চাহিদা পূরণ করতে পারিনি। তবে আমরা নতুন কোচ এবং রোলিং স্টক যোগ করার মাধ্যমে দ্রুত এই সক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা নিয়েছি।
ইউডি/কেএস

