জবি শিক্ষার্থী জুবায়েদ খুন: সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, আপডেট ১১:৫০
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসাইন খুনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে পুলিশ। ঘটনাস্থলের পাশের একটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, দুই যুবক দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের একজনের গায়ে কালো ও অন্যজনের গায়ে গোলাপি রঙের টি-শার্ট ছিল।
পুরান ঢাকার আরমানিটোলার একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে রবিবার (১৯ অক্টোবর) খুন জবি শিক্ষার্থী জুবায়েদ হোসাইন। পঞ্চম তলা ভবনের তিন তলার সিঁড়ির ওপরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল জুবায়েদের মরদেহ। সেখান থেকে নিচ তলার সিঁড়ি পর্যন্ত দেখা গেছে রক্তের দাগ।
এরইমধ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন নিহত জুবায়েদের ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা। তিনি জানিয়েছেন, তার সাবেক প্রেমিক মাহির রহমানের প্রেমঘটিত জটিলতার জেরেই খুন হন জুবায়েদ হোসাইন। যদিও খুনের পরিকল্পনা বা বাস্তবায়ন সম্পর্কে বর্ষা কিছু জানতেন না বলে দাবি করেছেন। বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ছাত্রী এসব তথ্য জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করতে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজটি বিশ্লেষণ করছে এবং আশপাশের আরও ফুটেজ সংগ্রহ করছে। ঘটনাস্থলের পাশের একটি ভবনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিকেল ৪টা ৩৯ মিনিটে বংশালের নূরবক্স রোডের মাথা থেকে কালো টি-শার্ট পরা ও ব্যাগপিঠে থাকা দুই যুবক দ্রুত দৌড়ে বংশাল রোডের দিকে যাচ্ছেন। পুলিশের ধারণা, তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। দৌড়ে পালানো ওই দুই যুবকের মধ্যে একজন বর্ষার সাবেক প্রেমিক মাহির।
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজের পাশাপাশি জুবায়েদদের ফোন কল রেকর্ড এবং টিউশনির শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যার কারণ উদ্ঘাটনে জোর তদন্ত চলছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়েদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তিনি কুমিল্লা জেলা ছাত্র কল্যাণের সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
ইউডি/রেজা

