বেগম জিয়ার মৃত্যু: শোক বইতে জামায়াতের নায়েবে আমির তাহেরের সই

বেগম জিয়ার মৃত্যু: শোক বইতে জামায়াতের নায়েবে আমির তাহেরের সই

উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, আপডেট ২৩:৫০

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক বইতে সই করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রক্ষিত শোক বইতে সই করেন তিনি।

তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের মেডিকেল থানা সভাপতি, ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান।

এ সময় জামায়াত নেতৃবৃন্দ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ উপস্থিত বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রতি সমবেদনা জানান।

শোক বইতে সই করার পর সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। সবচেয়ে বেশি সম্মান নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুক।’

এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন- নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণ সংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী, ইসলমী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির ফয়জুল করীম, খেলাফত মজলিশের আমির মওলানা মামুনুল হক, জমিয়তে উলামা ইসলমের আব্দুর রব ইউসূফী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, বিশিষ্ট কলামিস্ট মেজর জেনারেল (অবঃ) মনিরুজ্জামান, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ, আম জনতা দলের তারেক রহমান।

এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে শোক বইয়ে সই করেছেন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সকাল ৬টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

আগামীকাল বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে গত ২৩ নভেম্বর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৭ নভেম্বর তার ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিলে কেবিন থেকে ‘ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে’ স্থানান্তর করা হয়।

বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন। এছাড়া লিভার সংক্রান্ত জটিলতা, কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, আথ্রাইটিস ও ইনফেকশনজনিত সমস্যাও ছিল।

ইউডি/এআর

ashiqurrahman7863

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading