ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হয়েছে: উইটকফ
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, আপডেট ১:০০
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটনের নেতৃত্বে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যে এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।
রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের চারবছর পূর্তির ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক আয়োজন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে এই বৈঠক শুরু হয়। চলে অন্তত ছয় ঘণ্টা ধরে।
আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয়দিনের আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বড় ধরনের সমঝোতার সম্ভাবনা এখনও কম বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির বলেছেন, বারবার ইউক্রেনকে সমঝোতার কথা বলা হচ্ছে যা ন্যায্য নয়।
তার ভাষায়, ‘রাশিয়াকে জয় উপহার দিয়ে শান্তি আনা যাবে না।’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইঙ্গিত দেন, সুইজারল্যান্ডে আলোচনা সফল করা ইউক্রেনের দায়িত্ব।
তবে এ বিষয়ে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে তিনি সরাসরি কিছু বলেননি। রাশিয়ার অবস্থানেও তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি। মস্কো এখনও ইউক্রেনের কিছু ভূখণ্ড নিয়ে তাদের আগের দাবিতেই অনড় রয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।
তবে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি মার্কিন আলোচক স্টিভ উইটকফের। আজ বুধবার দ্বিতীয় দিনের আলোচনা শুরুর আগে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ বন্ধে উভয় পক্ষকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাফল্য অর্থপূর্ণ অগ্রগতি এনেছে এবং এই ভয়াবহ সংঘাতে হত্যাকাণ্ড বন্ধে তার নেতৃত্বে কাজ করতে পেরে আমরা গর্বিত।
উভয় পক্ষই একটি চুক্তির দিকে কাজ চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে।’ এদিকে জেনেভায় ইউক্রেন–রাশিয়া বৈঠকের প্রথম দিনে মূলত ‘ব্যবহারিক বিষয় এবং সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া‘ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রধান আলোচক রুস্তম উমেরভ।
তবে রাশিয়ার কর্মকর্তারা এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। নিজের নিয়মিত রাতের ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, তিনি জেনেভায় থাকা আলোচক দলের কাছ থেকে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।
তিনি বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ করতে সম্মানজনক চুক্তির দিকে দ্রুত এগোতে আমরা প্রস্তুত। প্রশ্ন হলো, রাশিয়া আসলে কী চায়?’
ইউডি/এআর

