একসঙ্গে একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা-দাফন সম্পন্ন
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১৮:৪০
বাগেরহাটের মোংলা উপজেলায় বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকসহ তার পরিবারের ৯ সদস্যের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুম্মার নামাজের পর উপজেলা পরিষদ মাঠে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় অংশ নিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলামসহ বাগেরহাট জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শেষে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে পৌর কবরস্থানে দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথমে দাফন করা হয় পরিবারের প্রধান আব্দুর রাজ্জাককে। পরে পর্যায়ক্রমে পরিবারের অন্য সদস্যদের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
একই পরিবারের এতজনকে একসঙ্গে হারানোর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।এদিকে সকালে কয়রা উপজেলার কনের বাড়িতে নিহত চারজনের দাফন সম্পন্ন হয়। পাশাপাশি রামপালে মাইক্রোবাস চালকের দাফনও সম্পন্ন হয়েছে।
এ ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম।
তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এ দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন।উল্লেখ্য, খুলনার কয়রা উপজেলার নাকসা গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সালাম মোড়লের মেয়ে মার্জিয়া আক্তার (মিতু)-এর সঙ্গে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের ছোট ছেলে আহাদুর রহমান (সাব্বির)-এর বিয়ে হয়। বিয়ের পর বর-কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যরা একটি মাইক্রোবাসে করে ফিরছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ জন নিহত হন।
ইউডি/এআর

