স্কুল ভর্তিতে লটারি থেকে পরীক্ষায় ফেরত যেতে চাই

স্কুল ভর্তিতে লটারি থেকে পরীক্ষায় ফেরত যেতে চাই

উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১৫:১৫

ভর্তি প্রক্রিয়ায় আবারও লটারি থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রীক প্রক্রিয়ায় ফেরত যেতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন।

আজ (সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর অভিজাত হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে “নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ” শীর্ষক সংলাপে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এমন কথা বলেন।

সংলাপে সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। সংলাপটি সঞ্চালনা ও সভাপতিত্ব করে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। সংলাপে প্রধান অতিথি হিসাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।

ভর্তি প্রক্রিয়ায় লটারিকে ব্ল্যাক বক্স উল্লেখ করে উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন বলেন, ‘অনেক স্কুল জানিয়েছে লটারি তারা পছন্দ করছেন না। ইটস অ্যা ব্ল্যাক বক্স। লটারিতে কারা আবেদন করছেন, কারা সিলেক্ট করছেন। ইতোমধ্যে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করেছি যে, লটারি থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রীক প্রক্রিয়ায় আবার ফেরত যেতে চাই।’

নতুন বছরের আগে শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে এই উপদেষ্টা বলেন, কারিকুলামকে দলীয়করণ করা হয়েছে। আগামী বছরে জানুয়ারির আগে ক্যারিকুলাম কে ডেভলোপ করতে পরি। যেখানে প্রয়োজন কিছুট রিডজাইন করতে পারি, সে চেষ্টা চলছে। যেটা সঠিক ভাবে হওয়া উচিত, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গঠনের জন্য যা যা প্রয়োজন সেরকমভাবে যেনো ক্যারিকুলামকে ডেভেলপ করতে পারি।

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কেবল সার্টিফিকেট অর্জন নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ভ্যালু বেইজড এডুকেশন হওয়া উচিৎ। দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী বেকার। শিক্ষার আরও একটা উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ক্যাপাসিটি, টেকনিক্যালিটি, ক্যাপাবিলিটি তৈরি করা যার উপর ভিত্তি করে শিক্ষিতরা আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হতে পারেন। দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্যতা পেতে পারেন। এ দুটি লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।

সরকারের তৃতীয় ভাষা শেখানোর প্রতিশ্রুতি রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেই ভাষাগুলো যেগুলোতে দেশের বাইরে আমাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে সেগুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলেছি। জাপান, চায়না, কোরিয়া, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দূতাবাস থেকে কারিগরি সহায়তা পাওয়ার চেষ্টা করছি। উনাদের নিজেদের দেশ থেকে লোক পাঠানো, যেনো তারা শিক্ষক হিসেবে কাজ করে। তৃতীয় ভাষা শেখানো চ্যালেজিং টাস্ক, অনেকগুলো স্কুল রয়েছে। শুরুতে যদি একেকটি জেলাতে নির্দিষ্ট ভাষাকে টার্গেট করি তাহলে এডুকেশন সিস্টেমে ইন্টিগ্রেট করতে পারি।

মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাইলে শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্য থাকা উচিত নয় জানিয়ে মাহদী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় ইনহেরিন্টলি বৈষম্য রয়েছে। বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ক্রমান্বয়ে বাংলা মাধ্যমে শিক্ষার্থী কমছে। এটা নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

ইউডি/রেজা

melongazi

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading