বৈশাখ ঘিরে বেড়েছে বড় মাছের দাম, মাংসের দামও চড়া
উত্তরদক্ষিণ। শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, আপডেট ১১:২০
পয়লা বৈশাখকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে ইলিশ ও অন্যান্য বড় মাছ এবং মাংসের দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঈদ পরবর্তী বাজারে দাম কমে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। তবে সোনালী মুরগির দাম আগের মতোই চড়া ও অপরিবর্তিত রয়েছে। একইসাথে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে লেয়ার, পাকিস্তানি কক এবং দেশি মুরগিও। এসব মুরগি নূন্যতম ৩৮০ টাকা এবং সর্বোচ্চ প্রায় ৬০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর বেশ কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালী মুরগি ৩৮০ টাকা এবং পাকিস্তানি মুরগি ৩৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি মুরগি আকারভেদে ৫৫০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে গরুর মাংস মানভেদে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা কেজি। এসব পণ্যের দামেও তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।
রাজধানীর টাউন হল, ঝিগাতলা, কারওয়ান বাজার, কলাবাগানসহ বেশ কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বড় আকারের রুই, কাতলা ও বোয়াল মাছের দাম গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে।
বিক্রেতারা জানান, আকৃতিভেদে রুই বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকায়, কাতলা ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০–৩২০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০–২৫০ টাকা এবং শিং–মাগুর ৫৫০ থেকে ৭৫০ টাকায়। চাষ ও দেশি কই ৩০০-৬০০ টাকা আর বোয়াল ও চিতলসহ বড় মাছ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে এক হাজার টাকায়।
এ ছাড়া অন্যান্য মাছের মধ্যে ছোট চিংড়ি ৩০০-৩৫০ টাকা, কাঁচকি মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা, মলা মাছ ৩০০-৩৫০ টাকা, পাবদা মাছ আকারভেদে ৩০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
টাউন হল বাজারে মাংস ব্যবসায়ী মুরাদ বলেন, আমরা গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি করছি। কেউ যদি হাড্ডিসহ মাংস নেয় তাহলে ৭৫০ টাকায় নিতে পারছে। আবার যারা হাড্ডি ছাড়া মাংস চায় সেখনে কিছুটা দাম বাড়িয়ে ৮০০-৮৫০ টাকায় নিতে পারছে। খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি। তবে, আজকের বাজারটা একটু কম জমেছে। বাজারে তেমন কোনো লোক নেই। ঈদের ছুটি কাটিয়ে এখনো অনেকে ঢাকায় ফিরেনি। এজন্য বাজারে ক্রেতাও তেমন একটা নেই।
ইউডি/কেএস

