দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করা হচ্ছে পশুবাহী ট্রাক
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, আপডেট ১৯:১৫
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া ঘাটে পশুবাহী যানবাহনের চাপ বেড়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পশুবাহী ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন এই নৌরুট হয়ে ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় এই চিত্র দেখা গেছে।
ঘাটে পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে জেলা পুলিশ। এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ট্রাকচালক ও গরু ব্যবসায়ীরা।
ঘাট সূত্রে জানা যায়, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পশু নিয়ে ছুটছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। ঘাটে দালাল ছাড়াই ট্রাকচালক বা সহকারীরা কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট নিয়ে ফেরি পারাপার হচ্ছেন।
ব্যবসায়ী ও চালকরা জানান, ঢাকা-সংলগ্ন মানিকগঞ্জ, ধামরাই, সাভার, গাবতলী, মিরপুর, উত্তরা ও আরিচাসহ বিভিন্ন পশুর হাটে দ্রুত ও সহজে পৌঁছানো যায় বলে তারা এই রুট ব্যবহার করছেন। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, পশুবাহী ট্রাকের চাপও ততই বাড়ছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন জানান, বর্তমানে দৌলতদিয়া প্রান্তে তিনটি ফেরিঘাট সচল রয়েছে। পাশাপাশি ৫ নম্বর ফেরিঘাটটি বিআইডব্লিউটিএ নতুনভাবে নির্মাণ করেছে। বর্তমানে এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে এবং পশুবাহী গাড়িগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ বলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোরবানির পশুবাহী কোন ট্রাক পথে আটকানো যাবে না। হাইওয়ে পুলিশসহ রাজবাড়ী জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় পশুবাহী ট্রাক আটকানো হবে না এবং বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ঈদের সময় দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের প্রবণতা দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডিবি টিম, মোটরসাইকেল মোবাইল পার্টি ও জেলা পুলিশের স্ট্রাইকিং মোবাইল পার্টি সার্বক্ষণিক কাজ করবে। ঘাট এলাকায় কন্ট্রোল রুম খোলা থাকবে এবং ফেরিতে সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মে নৌ পুলিশ দায়িত্বে থাকবে।
ইউডি/রেজা

