‘হ্যারি কেইনকে আটকানো বেশ কঠিন’

‘হ্যারি কেইনকে আটকানো বেশ কঠিন’

উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬, আপডেট ০৮:০০

ক্লাব হয়ে দুর্দান্ত ফর্ম বিশ্বকাপেও বয়ে এনেছেন হ্যারি কেইন। উত্তর আমেরিকা আসরে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার ডেস ওয়াকার বলছেন, প্রতিপক্ষের জন্য এই স্ট্রাইকারকে থামানোর একমাত্র উপায় হয়তো তাকে লাথি মারা!

টটেনহ্যাম হটস্পারের সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন ২০২৩ সালে ইংল্যান্ড ছেড়ে পাড়ি জমান জার্মানিতে। সেখানে বায়ার্ন মিউনিখের হয়েও গোলের পর গোল করে চলেছেন তিনি। তার ক্যারিয়ারের দীর্ঘ শিরোপা খরাও কেটে গেছে এই ক্লাবে।

২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্নের হয়ে ৫১ ম্যাচে কেইন গোল করেছেন ৬১টি। এর মধ্যে বুন্ডেসলিগায় ৩১ ম্যাচে ৩৬টি। টানা তিন মৌসুমে হয়েছেন বুন্ডেসলিগার সর্বোচ্চ গোলস্কোরার। বায়ার্নের হয়ে সব মিলিয়ে ১৪৭ ম্যাচে তার গোল এখন ১৪৬টি।

ক্লাবের হয়ে তার এই ফর্মের প্রতিফলন দেখা গেছে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও। ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন তিনি আগেই, এখানে তার গোল-সংখ্যা এখন ৮৫। গ্যারি লিনেকারের ১০ গোল ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপেও ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার তিনি। ১৪ গোল নিয়ে জার্ড মুলারের সঙ্গে যৌথভাবে তালিকার পঞ্চম স্থানে আছেন ৩২ বছর বয়সী তারকা। এর মধ্যে চলতি আসরে তৃতীয় সর্বোচ্চ ছয় গোল তার। ইংল্যান্ড পৌঁছে গেছে কোয়ার্টার-ফাইনালে।

কেইনকে আটকানো সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নে ‘গোল ডটকম’কে ওয়াকার বলেন, বৈধ কোনো উপায় তিনি দেখেন না।

“আমার মনে হয়, আপনার ওকে লাথি মারতে হবে, কারণ সে আপনাকে সমস্যায় ফেলবে!”

কেইনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে আরও বিস্তারিত তুলে ধরেন ইংল্যান্ডের হয়ে ৫৯ ম্যাচ খেলা সাবেক এই সেন্টার-ব্যাক।

“এটাই হ্যারির খেলার মূল বিষয়। যে অল্প কিছু ম্যাচে সে গোল করে না, সেখানেও সে ভালোভাবে সম্পৃক্ত থাকে, তাকে আটকানো বেশ কঠিন। তার ও (অ্যালান) শিয়েরারের মতো খেলোয়াড়দের অনেক দক্ষতা। তারা দুজনেই গোল করার জন্য পরিচিত এবং তারা দুজনেই সেরা গোলদাতা। কিন্তু এর পাশাপাশি, তারা অন্যভাবেও ম্যাচে অবদান রাখে।

“ইয়ান রাইটের মতো খেলোয়াড় আছে, হ্যারির মতোও আছে। ৯২তম বা ৯৩তম মিনিটে ভালো খেলতে পারবে না, কিন্তু তারা যে গোল করবেই, এই বিশ্বাস তাদের অটল থাকে। আমার মনে হয়, হ্যারি ১০ বছর ধরে নিজেকে প্রমাণ করেছে। অনেকেই তাকে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে, কিন্তু সে সবাইকে ভুল প্রমাণ করেছে এবং সে সত্যিই অসাধারণ। সে না থাকলে আমরা কোথায় থাকতাম, আমি জানি না।”

সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নরওয়ের মুখোমুখি হবে ১৯৬৬ সালে একমাত্র বিশ্বকাপ ট্রফি জেতা ইংল্যান্ড।

ইউডি/কেএস

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading