মধ্যপ্রাচ্য সংকটে অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় ৪-৫ বিলিয়ন ডলার : অর্থমন্ত্রী
উত্তরদক্ষিণ। শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, আপডেট ২৩:২০
চলমান মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে সরকারের জ্বালানির বিল পরিশোধে অতিরিক্ত ৪-৫ বিলিয়ন বা ৪০০-৫০০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, সব ধরনের জ্বালানি উৎসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তবে প্রাথমিকভাবে সৌরশক্তির ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে এবং বাজেটে এ লক্ষ্যে নানা সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এখন এই খাতে বিনিয়োগে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসা দরকার।
শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক পরিস্থিতি; প্রেক্ষিত রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান জায়েদি সাত্তার এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় বিনিয়োগ না বাড়লে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না। বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা যত গভীরেই থাকুক, সেগুলো নিরসন করা হবে। ডিরেগুলেশন (সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো) বলা যতটা সহজ, বাস্তবায়ন ততটা কঠিন। তবে সরকার এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যমান বিদ্যুৎ, গ্যাসের সমস্যা এক দিনে সমাধান হবে না। এ জন্য সময় লাগবে। জ্বালানি খাতে তিন মাসের মজুত নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। আর্থিক খাত পুনরুদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। যারা প্রণোদনার শর্ত পূরণ করতে পারবে, তারা ঋণ সহায়তা পাবে। এ ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য হবে না।
ইউডি/এবি

