টাকা ছাপতে এক বছরে দ্বিগুণ অর্থ খরচ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তরদক্ষিণ। সোমবার, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, আপডেট ২৩:৫৫
গত এক বছরে নতুন টাকা ছাপানোর পেছনে আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ টাকা খরচ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নোট মুদ্রণ বাবদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের খরচ হয়েছে ৪৫৮ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এর আগে অর্থবছর এ খাতে খরচ হয়েছিল ২৩৪ কোটি ৭৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা।
অর্থাৎ, এক বছরে খরচ বেড়েছে ২২৪ কোটি ১৪ লাখ ৮ হাজার টাকা বা ৯৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অডিটরস রিপোর্ট ও অডিটেড ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্টসে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে পুরনো ও ব্যবহারের অনুপযোগী নোট তুলে নিয়ে নতুন নোট ছাপানো হয়। ব্যাংকনোট মুদ্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কাগজ, কালি ও অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ করে আন্তর্জাতিকভাবে তালিকাভুক্ত বিশেষায়িত কোম্পানি। দেশে নোট ছাপানোর কাজটি করে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড (এসপিসিবিএল)।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, টাকা ছাপানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ ও কালি বিশেষায়িত হওয়ায় এসব উপকরণের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানও সীমিত। ফলে দর-কষাকষির সুযোগ তুলনামূলক কম থাকে।
তিনি বলেন, এটি তো বিশেষায়িত কাজ। কালি ও কাগজ বিশেষভাবে তৈরি করায় খরচ বেশিই হয়। সব দেশ টাকা ছাপানোর কাগজ তৈরি করে না। তাই তাদের সঙ্গেও খুব বেশি দর-কষাকষি করা যায় না, তাদের রেটের সঙ্গে নেগোশিয়েশন করার সুযোগ কম।
“এবার খরচ বেড়ে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী গ্লোবাল ক্রাইসিস। বৈশ্বিকভাবেই কাগজের দাম বেড়েছে, তেমনি সাপ্লাই চেইন সমস্যা হয়েছিল। এক্সচেঞ্জ রেট বেড়ে যাওয়া মিলিয়ে খরচ বেড়েছে।”
ইউডি/এবি

