৮০-এর দশকের ‘রেট্রো লুকে’ মজেছে সোশ্যাল মিডিয়া
উত্তরদক্ষিণ। বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, আপডেট ১৪:২৭
ফ্যাশন ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়েও পুরোনো দিনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ কমেনি। সেই নস্টালজিয়াকে এবার নতুন মাত্রা দিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ১৯৮০-এর দশকের আদলে ছবি তৈরির নতুন ট্রেন্ড। এআইয়ের সাহায্যে বর্তমান সময়ের ছবিকে রূপ দেওয়া হচ্ছে চার দশক আগের পোশাক, চুলের স্টাইল, মেকআপ ও আলোকচিত্রের আবহে। শুধু সাধারণ ব্যবহারকারীই নন, বিনোদন অঙ্গনের তারকারাও এই ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করছেন আশির দশকের নস্টালজিয়ামাখা নানা ছবি।
এই ট্রেন্ডে শুধু পোশাক বা চুলের ধরনই নয়, ছবির আলো, রঙ, ব্যাকগ্রাউন্ড ও ক্যামেরার আবহও বদলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে আধুনিক কোনো ছবি দেখলে মনে হতে পারে, সেটি যেন সত্যিই ১৯৮০-এর দশকের কোনো স্টুডিও বা ফিল্ম ক্যামেরায় তোলা।
এআই-নির্ভর বিভিন্ন ছবি তৈরির টুলে নিজের একটি পরিষ্কার ছবি আপলোড করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা দিলেই তৈরি করা যাচ্ছে এমন রেট্রো লুক।
কীভাবে বানাবেন ৮০-এর দশকের ছবি?
এআই টুলে ছবি আপলোড করার পর এমন নির্দেশনা দেওয়া যেতে পারে- ‘ছবিটিকে ১৯৮০-এর দশকের একটি বাস্তবসম্মত পোর্ট্রেটে রূপান্তর করুন। ব্যক্তির মুখের বৈশিষ্ট্য, পরিচয়, বয়স ও স্বাভাবিক অভিব্যক্তি অপরিবর্তিত রাখুন। ৮০-এর দশকের উপযোগী চুলের স্টাইল, পোশাক ও মেকআপ দিন। পেছনে রাখুন পুরোনো স্টুডিওর আবহ। ছবিতে ৩৫ মিমি ফিল্মের দানা, উষ্ণ রঙ, নরম ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক ছায়া ও বাস্তবসম্মত ত্বকের টেক্সচার যোগ করুন। ছবিটি যেন আধুনিক ছবিতে ভিনটেজ ফিল্টার দেওয়ার মতো না হয়ে সত্যিই ১৯৮০-এর দশকে তোলা ছবি মনে হয়। কোনো লেখা, ওয়াটারমার্ক বা আধুনিক উপাদান রাখবেন না।’
প্রয়োজনে নির্দেশনায় আরও নির্দিষ্ট করে পোশাক, চুলের ধরন, ছবির স্থান কিংবা আলোকসজ্জার কথা উল্লেখ করা যায়। এতে তৈরি ছবিটি আরও নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
একটি বর্তমান ছবিকে কয়েকটি নির্দেশনার মাধ্যমে চার দশক আগের স্মৃতির মতো করে তোলার এই প্রবণতা তাই শুধু প্রযুক্তির ব্যবহার নয়, বরং নস্টালজিয়াকে নতুনভাবে উপভোগ করারও একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কারও কাছে সেটি শৈশবের সময়, আবার কারও কাছে জন্মেরও আগের এক দশক, এআই সেই সময়কেই এখন ফিরিয়ে আনছে ডিজিটাল ছবির ফ্রেমে।
ইউডি/কেএস

