ব্যাংক এমডিদের মূল্যায়নে স্কোরিং পদ্ধতি, ৬ মাস পরপর প্রতিবেদন
উত্তরদক্ষিণ। রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, আপডেট ২৩:৫০
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী নিয়োগে পাঁচটি বিষয়ে ১০০ নম্বরের মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ বিষয়ক নতুন নীতিমালা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যেটির ভিত্তিতে এমডিদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে ব্যাংকের পর্ষদকে।
নীতিমালায় বলা হয়, এমডি ও সিইওদের মূল্যায়নে সক্ষমতা ও তারল্য ব্যবস্থাপনায় ২৫ নম্বর থাকবে। অন্য বিষয়ের মধ্যে সম্পদের গুণমানে ২৫, মুনাফা অর্জনে ১০, সুশাসন ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণে বিষয়ে ২৫ এবং গ্রাহক, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও বাজার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ১৫ নম্বরসহ মোট একশত নম্বর নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়ার সময় ও তার মেয়াদ নবায়নের সময় এসব বিষয়ে বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দেবে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদ।
রোববার বাণিজ্যিক ব্যাংকের এমডি বা সিইও নিয়োগে মূল্যায়নের এমন পদ্ধতি চালু করে নতুন নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ নীতিমালা অনুযায়ী, নির্ধারণ করে দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা ও মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করবে এমডিদের বেতন-ভাতা, প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণের বিষয়গুলো।
পুনঃনিয়োগের বেলাতেও এই প্রতিবেদন যাচাই করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়।
‘কি পরফরম্যান্স ইন্ডিকেটরস (কেপিআইএস) ফ্রেমওয়ার্ক ফর ম্যানেজিং ডিরেক্টর/চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) অব ব্যাংকস’ শীর্ষক এ নীতিমালা মেনে চলতে সব ব্যাংককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালায় এমডিদের নিয়োগের চুক্তিপত্রে ব্যাংকের এসব বিষয়ে লক্ষ্যামাত্রা অর্জনে বিভিন্ন সূচক ঠিক করা থাকবে। সেখানে ঋণ-আগাম অনুপাত, খেলাপি ঋণ, বৃহৎ ও শীর্ষ ঋণ গ্রহীতাদের তদারকি, খেলাপি ও অবলোপন করা ঋণ আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বলা থাকবে।
পুনঃনিয়োগের বেলায় আগের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জিত নম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দিতে হবে ব্যাংকের পর্ষদকে। প্রতি ছয় মাস অন্তর সেই চুক্তির অগ্রগতির প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা দেবে ব্যাংকের পর্ষদ।
বর্তমান এমডি ও সিইওদের বেলায় আগের তিন মাসের কর্মদক্ষতার উপর ভিত্তি করে আগামী ছয় মাসের মূল্যায়ন প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
আগামী মূল্যায়ন প্রতিবেদনের জন্য সময় বিবেচনা করা হবে, চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত।
ইউডি/এবি

