হরমুজের কাছে দ্বিতীয় এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করল বিপ্লবী গার্ড
উত্তরদক্ষিণ। মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, আপডেট ১৬:৩৭
গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালির কাছে আমেরিকার দ্বিতীয় এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা মেহের নিউজ।
বিপ্লবী গার্ড বলেছে, আজ ভোর থেকে মার্কিনিদের দুটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
এরমাধ্যমে সবমিলিয়ে আমেরিকার চারটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনীর সবচেয়ে চৌকস ইউনিটটি।
এই এমকিউ-১ ড্রোন মূলত নজরদারি চালাতে ব্যবহার করা হয়। ইরানি সেনাদের গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাতে হরমুজে এ ড্রোনগুলো ব্যবহার করছে আমেরিকা। এছাড়া ইরানের অন্যান্য ভূখণ্ডেও এটি ব্যবহার করা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের জেরে ঘাটতি দেখা দিয়েছে আমেরিকার অস্ত্রভাণ্ডারে
প্রায় ৭ মাস ধরে চলতে থাকা ইরান যুদ্ধের কারণে আমেরিকার অস্ত্র ও গোলাবারুদের ভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। আমেরিকান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিদর্শক প্লাত্তে বি. মোরিং এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, অস্ত্র-গোলাবারুদ ঘাটতির প্রধান কারণ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানে আমেরিকা বাহিনীর পরিচালিত সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।
বর্তমান অস্ত্র-গোলাবরুদের ঘাটতি প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে প্লাত্তে বি. মোরিং বলেছেন, “অপারেশন এপিক ফিউরির সময় বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে মার্কিন বাহিনী। এর ফলে যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে, তা পূরণের জন্য শিল্প-কাঠামোর ওপর ব্যাপক চাপ যাচ্ছে; কিন্তু খুব শিগগিরই ঘাটতি পূরনের সম্ভাবনা কম।”
এছাড়া যুদ্ধে ৪টি এফ-১২ যুদ্ধবিমান, একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, ৭টি কেসি-১৩৫ ট্যাংকার এবং ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মহাপরিদর্শকের প্রতিবেদনে অপারেশন এপিক ফিউরিতে আর্থিক ব্যয়ের একটি হিসেবও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানে মার্কিন বাহিনীর ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৩৪০ কোটি ডলার এবং এই অর্থের বড় অংশ— ২ হাজার ২৩০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ খাতে।
সূত্র: আলজাজিরা
ইউডি/রেজা

