গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারিতা নয়: প্রেস সচিব
উত্তরদক্ষিণ। বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, আপডেট ১৫:৩৫
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে, তবে স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারিতা নয়। প্রতিদিন সত্য মিথ্যা যাচাইয়ে অন্তত ১০ মিনিট করে প্রতিটি গণমাধ্যম একটা প্রোগ্রাম করলে মানুষ সত্যটা জানতে পারবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর বারোটায় আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ পোগ্রামে তিনি এসব কথা বলেন।
সালেহ সিবলী বলেন, ‘দীর্ঘ দশ বছর তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার করতে দেওয়া হয়নি। তার বক্তব্য সে সময় গণমাধ্যমে প্রচার করতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। বিগত সরকারের সময় আমরা দেখেছি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। যার ফলে, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি। এছাড়াও, দেশে গণমাধ্যমের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। তবে, গণমাধ্যমের কোয়ালিটি কতোটা বেড়েছে? তা নির্ধারণ নেই।’
আরও পড়ুন: ‘গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন’
আমরা আশা করব, প্রতিদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ফেইসবুকে’ যেসব গুজব ছড়ানো হয়। তা রোধ করতে এবং সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করতে প্রতিটি গণমাধ্যম প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট করে ফ্যাক্ট চেকিং এর একটা পোগ্রাম করলে মানুষ সত্য মিথ্যার তফাত করে সত্যটা জানতে পারবে। এটা বর্তমান সময়ে গুজব রুখতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার নাগরিকের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার কাজ করছে, যা গত ১৭ বছরে হয়নি। কল্যাণমূলক রাষ্ট্র তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ক্রমান্বয়ে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র তৈরি করতে সকল রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সবাই আন্তরিকভাবে ডেঙ্গু মশার বংশ বিস্তার রোধে সচেতন হতে হবে। না হলে ভয়াবহ দিকে যাওয়ার ঝুঁকি আছে, সরকারের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মূলত সবাই মিলেমিশে কাজ করা জরুরি। এর আগে আমরা দেখেছি, হাম-রুবেলা নিয়ে দেশে নানা রকম ঘটনা ঘটেছে। আমরা যদি কাউকে দোষারোপ করি তাহলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। আমরা কাউকে দোষারোপ না করে যে যার জায়গা থেকে দেশকে এগিয়ে নিতে মিলেমিশে কাজ করব।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এএএম সালেহ শিবলী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।
ইউডি/কেএস

