বিচার যা হোক, জামিনটা যেন হয় শাজাহান খান
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৫ নভেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:০৪
সড়কের নতুন আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে জামিন অযোগ্য ধারাটি বাদ দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন পরিবহন শ্রমিকরা। গতকাল রোববার (২৪ নভেম্বর) সচিবালয়ে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভা শেষে সাবেক নৌমন্ত্রী ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান এমপি সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন। আমরা সরকারের কাছে দাবি করেছি, একজন ড্রাইভার যদি দুর্ঘটনা ঘটান, সে যদি দীর্ঘদিন জামিন না পান, তবে ড্রাইভারের ঘাটতি পড়ে যাবে। এক বছরে সারাদেশে ৩ থেকে ৪ হাজার দুর্ঘটনা হয়, তাহলে ৩ থেকে ৪ হাজার ড্রাইভারের ঘাটতি পড়ে যাচ্ছে। আমরা এখনও কিন্তু ৩ থেকে ৪ হাজার ড্রাইভার প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দিয়ে তৈরি করতে পারছি না, আমাদের সেই ক্যাপাসিটি নেই।’ ‘এ কারণেই বলেছি, দুর্ঘটনা ঘটালে তদন্ত করে বিচার হবে সেই বিচারে যা হওয়ার হবে, কিন্তু সে যেন জামিনটা পায়। এতে ঘাটতির জায়গাটা পূরণ হবে। জেল যা আছে, সেটা নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই,’ বলেন শাজাহান খান। অপরাধ জামিনযোগ্য করা হলে দুর্ঘটনা আরও বাড়ার শঙ্কা তৈরি হবে কি না- প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক নয়। কেউ যদি একবার অপরাধ করে, সেই কিন্তু অপরাধ ইচ্ছা করে করে না, করতে চায় না।’ গত ১ নভেম্বর নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের পর হঠাত্ করে ট্রাক ও কভার্ডভ্যান মালিক-শ্রমিকরা আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মঘট ডাকলে নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের দাবি বিবেচনার আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। গতকাল রোববারের (২৪ নভেম্বর) বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন। শাজাহান খান বলেন, “বাস্তবতাটা হল এই, লাইসেন্সের কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন অনেক ঘাটতি আছে, লাইসেন্স দিতে পারছে না বিআরটিএ।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে চারজন সচিবের নেতৃত্বে চারটি সাব কমিটি গঠন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কোন কোন জায়গায় দুর্বলতা আছে, সে বিষয়গুলো কমিটি জানাবে। বিআরটিএকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং তার দুর্বলতাগুলো ঠিক করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান ও সড়ক সচিব নজর দেবে।’

