মেসি জাদুতে আবারও শীর্ষে বাসা

মেসি জাদুতে আবারও শীর্ষে বাসা

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:০২

লা লিগার শিরোপাপ্রত্যাশী দুই দলের লড়াই উত্তেজনা ছড়াল ঢের। তবে মিলছিল না গোলের দেখা। আরও একবার দলের প্রয়োজনে স্বরূপে হাজির হলেন লিওনেল মেসি। অসাধারণ এক গোলে গড়ে দিলেন ব্যবধান। আতলেতিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে ফিরল বার্সেলোনা। ১৪ ম্যাচে ১০ জয় ও এক ড্রয়ে বার্সেলোনার পয়েন্ট ৩১। সমান পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে দুইয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। রক্ষণের ভুলে ম্যাচের শুরুতেই গোল খেতে বসেছিল বার্সেলোনা। সপ্তম মিনিটে ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে ডান দিক থেকে কোনাকুনি শট নেন মারিও এরমোসো। পা বাড়িয়ে দেন জুনিয়র ফিরপো। বল তার পায়ে লেগে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে পোস্টে বাধা পেলে বেঁচে যায় শিরোপাধারীরা। উনবিংশ মিনিটে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় জাল অক্ষত রাখেন বার্সেলোনা গোলরক্ষক। ডান দিক থেকে এরমোসোর শট ঝাঁপিয়ে কোনোমতে পা দিয়ে ঠেকান মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। প্রথম ২০ মিনিটে আক্রমণাত্মক ফুটবলে আতলেতিকো চাপ ধরে রাখার পর ধীরে ধীরে খেলায় ফিরতে থাকে বার্সেলোনা। তবে মেসি-সুয়ারেসরা বল পেলেই তাদেরকে দুই-তিন জন স্বাগতিক খেলোয়াড়ের ঘিরে ধরে বল দখলের নেওয়ার চেষ্টা ছিল দেখার মতো। জমাট রক্ষণ ভেঙে ডি-বক্সে ঢুকতে পারছিল না বার্সেলোনা। ৩৬তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে আচমকা বুলেট গতির শটে ভীতি ছড়ান লু্ইস সুয়ারেস। পাঁচ মিনিট পর আবারও টের স্টেগেনের নৈপুণ্যে বেঁচে যায় চ্যাম্পিয়নরা। এ যাত্রায় অরক্ষিত আলভারো মোরাতার হেড রুখে দেন তিনি। দুর্ভাগ্য বাধ না সাধলে দুই মিনিট পর কাঙ্ক্ষিত গোল পেতে পারতো বার্সেলোনা। কিন্তু জেরার্দ পিকের হেডে বল এক ড্রপে ক্রসবারে বাধা পায়। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২০ মিনিটে উভয় পক্ষ একবার করে সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। ৭২তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ নষ্ট হয় আতলেতিকোর; গোলমুখ থেকে বল ফেরান সার্জিও রবের্তো। অবশেষে ৮৭তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মেলে। নিজেদের সীমানা থেকে রবের্তোর বাড়ানো পাস ধরে ছুট দেন মেসি। কিছুটা আড়াআড়ি এগিয়ে সুয়ারেসকে বল বাড়িয়ে এগিয়ে যান বাঁ দিকে। এক টোকায় বলের দিক পাল্টে দেন সুয়ারেস। আর ডি-বক্সের কিনারা থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে ঠিকানা খুঁজে নেন রেকর্ড ছয়বারের বর্ষসেরা ফুটবলার। উল্লাসে ফেটে পড়ে বার্সেলোনা।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading