প্রাকৃতিক উপায়ে শীতে ত্বকের যত্ন নিন

প্রাকৃতিক উপায়ে শীতে ত্বকের যত্ন নিন

উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:২৮

শীতকাল নিয়ে আমাদের বরাবরই বেশ আগ্রহ কাজ করে। তবে এই ঋতুতে সবথেকে বিড়ম্বনায় পরতে হয় ত্বকের যত্ন নিয়ে। শুষ্ক এ মৌসুমে আদ্রতার অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ত্বক। তাইতো শীতে ত্বকের প্রতি নিতে হয় একটু বাড়তি যত্ন। মূলত আবহাওয়ার কারণেই ত্বক নির্জীব, শুষ্ক ও ফ্যাকাশে হয়ে পড়ে। তবে নিয়মিত যত্ন নিলে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল। ত্বকের ফ্যাকাশে ভাব দূর করতে তাই প্রসাধনী ছেড়ে ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক উপায়ের উপর। যা শীতে ত্বকের কোনো ক্ষতি ছাড়াই সব সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সেই উপায়গুলো:

সঠিক ক্লিনজার ব্যবহার: ত্বকের ধুলাবালি দূর করার জন্য ক্লিনজিং ব্যবহার করতে হবে। তবে ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক ক্লিনজার বাছাই করা জরুরি। ক্লিনজার দিয়ে মুখ ধোয়ার পর পরই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় ত্বকের শুষ্কতা বৃদ্ধি পাবে।

নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার: ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার জন্য ময়েশ্চারাইজার গুরুত্বপূর্ণ। ময়েশ্চারাইজার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। শরীরে প্রাকৃতিক তেল উত্পাদন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। নারকেল তেল, কেস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল, বাটারমিল্ক, শশা এসব প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

প্রচুর পানি পান: শীতে শরীর আর্দ্রতাশূন্য হয়ে পড়ে। এসময় পানির পিপাসা কম লাগার কারণে এসব সমস্যা দেখা দেয়। শরীরে পানির ঘাটতি হলেও বুঝতে পারি না। শীতে শরীরে প্রচুর পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। ঠান্ডা পানিতে সমস্যা হলে কুসুম গরম পানিতে লেবুর শরবত বানিয়ে পান করতে পারেন।

কুসুম গরম পানিতে মুখ ধোয়া: শীতে অনেকে গরম পানিতে গোসল করে থাকেন। ঠান্ডা আবহাওয়ায় গরম পানিতে গোসল আরামদায়ক হলেও এটি ত্বকের শুষ্কতা ও ফাটার জন্য দায়ী। ত্বকের শুষ্কতা দূর করার জন্য কুসুম গরম পানিতে গোসল করা যেতে পারে। এতে যেমন ঠান্ডা কম লাগবে তেমনি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল সহজে ত্বক থেকে দূর হবে না।

রাতে ত্বকে ম্যাসাজ: স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ত্বক পেতে হলে রাতে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ম্যাসাজ করতে হবে। ঘুমানোর আগে ময়েশ্চারইজার তেল ম্যাসাজ করে লাগান। সকালে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল কোমল ত্বক দেখতে পাবেন।

প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার: ত্বকে সবসময় প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের চেষ্টা করবেন। কেমিকেলযুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহারে ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে। তাই সব সময় ঘরোয়া উপাদানে ত্বকের যত্ন নেয়া উচিত।

সতর্কতা: লেখাটি মূলতঃ প্রাথমিক তথ্য ভিত্তিক। চিকিত্সা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে রেজিস্টার্ড চিকিত্সক/পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত্। 

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading