শিল্পকলায় সংস্কারের গীতি চন্দ্রবতী
উত্তরদক্ষিণ মুদ্রতি সংস্করন । ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ । প্রকাশ ০০:০১। আপডেট ১১:১২
আজ (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মঞ্চায়িত হবে থিয়েটার সংগঠন সংস্কারের নতুন নাটক ‘গীতি চন্দ্রবতী’। নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন ইউসুফ হাসান অর্ক। নাটকে দেখা যাবে, জয়ানন্দ নামের এক অনাথ বালক ছিল চন্দ্রাবতীর বন্ধু ও বাল্যকালের খেলার সাথী। কৈশোর উত্তীর্ণ হলে তারা বিয়ে করতে স্থির হয়। ঠিক হয় দিন-তারিখও। এরই মাঝে জয়ানন্দ প্রেমে পড়ে এক মুসলিম নারী আসমানীর। যার ফলে জয়ানন্দ ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য হয় এবং আসমানীকে বিয়ে করে। যেদিন জয়ানন্দ বিয়ে করে সেইদিনই চন্দ্রাবতীর সঙ্গে তার বিয়ে হওয়ার কথা। বধূ সাজে সজ্জিত চন্দ্রাবতী জানতে পারে জয়ানন্দ বিয়ে করেছে অন্যত্র। ব্যথাতুর চন্দ্রাবতী প্রতিজ্ঞা করে কুমারী থেকে শিবের সাধনায় জীবন কাটাবে। পিতার কাছে অনুমতি চাইলে চন্দ্রাবতীকে তিনি পরামর্শ দেন রামায়ণ লেখার। চন্দ্রাবতী শুরু করে শিব স্তুতি ও সাহিত্য সাধনা। এইর মাঝে কেটে যায় বেশ কিছুকাল। এক সময় জয়ানন্দ উপলব্ধি করে আসমানীর প্রতি তার টান মোহ মাত্র। প্রকৃতপক্ষে চন্দ্রবতীকেই ভালোবাসে সে। বুঝতে পারে বড়ই ভুল হয়ে গেছে তার। ভুল শোধরাতে জয়ানন্দ সন্ধ্যার দিকে এসে পৌঁছায় চন্দ্রাবতীর মন্দিরে। চন্দ্রাবতী তখন রুদ্ধদ্বার ধ্যানমগ্ন। জয়ানন্দ মন্দিরের দরজায় এসে ডাকাডাকি করে অনেক বার, কড়াও নাড়ে। কিন্তু ধ্যান ভাঙেনি চন্দ্রবতীর। ব্যর্থ জয়ানন্দ মন্দিরের দরজায় একটি কবিতা লিখে চিরদিনের মতো বিদায় নেয়। ধ্যান ভাঙলে চন্দ্রাবতী মন্দির পরিষ্কার করার জন্য জল আনতে নদীর ঘাটে যায়। সেখানে গিয়ে দেখে, নদীর জলে জয়ানন্দের নিথর দেহ ভাসছে। এমনি গল্পে নির্মিত হয়েছে সংস্কার নাট্যদলের নতুন নাটক ‘গীতি চন্দ্রবতী’। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মনামী ইসলাম কনক(নাট্যকেন্দ্র), বাপ্পী সাইফ, ফাতেমা তুজ জোহরা ইভা, আশিকুর রহমান, নাবা চৌধুরী, খন্দকার রাকিবুল হক, মাসুদ কবির, হুমায়রা তাবাসসুম নদী, রাকিবুল ইসলাম রাসেল, মেছবাহুর রহমান, জান্নাত তাসফিয়া বাঁধন, ইগিমি চাকমা, মোস্তফা জামান সৌরভ, উষ্মিতা চৌধুরী, নির্ঝর অধিকারী, মায়ান মাহমুদ, টুটুন চাকলাদার, মোস্তাফিজুর রহমান মফিজ এবং সানাউল্লা সান্টুকে।

