পুনর্মিলনীতে আবেগাপ্লুত ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা

পুনর্মিলনীতে আবেগাপ্লুত ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ০৪ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১৭:৪৫

ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দীর্ঘকাল পর মিলিত হলেন ছাত্রলীগের সাবেক কাণ্ডারিরা। অনেকেই জাতীয় রাজনীতি এখন সক্রিয় থাকলেও কেউ থাকেন দেশের বাইরে। কেউ আছেন ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত। ফলে একসঙ্গে সবার মিলিত হওয়ার খুব একটা সুযোগ হয়ে ওঠে না। সেই সুযোগ তৈরি করে দিল ছাত্রলীগের বর্তমান কাণ্ডারিরা। সংগঠনের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শনিবার (৪ জানুয়ারি) ছাত্রলীগ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাবেকদের জন্য পুনর্মিলনীর আয়োজন করে।

এদিন ছাত্রলীগের পুনর্মিলনীতে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সাবেক সভাপতি বাহাদুর ব্যাপারী গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, রাজপথের সেই সহযাত্রীদের সবাইকে আজ একসঙ্গে পেয়েছি। অতীতের অনেক সুখ-দুঃখের স্মৃতি ফিরে ফিরে আসছে। সবাই সবার বর্তমান অবস্থার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। পুনর্মিলনীতে সবার একটাই শপথ। মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘তোমার আমার ঠিকানা; পদ্মা, মেঘনা, যমুনা’ স্লোগান দিয়ে যেভাবে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন সেই পদ্মা মেঘনা যমুনার বাংলাদেশকে সমৃদ্ধিশালী করার যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমও অনেকটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীর সম্মিলন ঘটিয়েছে এই পুনর্মিলনী। সবার একটা কথা, ছাত্রলীগ অতীতে যেভাবে দেশ গঠনে ভূমিকা পালন করেছে, এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে যেভাবে এগিয়ে নিচ্ছেন, তার পাশে থেকে তার হাত শক্তিশালী করতে হবে। তার উদ্যোগকে সফলতার মুখ দেখাতে নতুনদের সর্বোচ্চ উজাড় করে দিতে হবে।’

ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হোসেনও ছাত্রলীগের বর্তমান এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

তাদের মতো পুনর্মিলনীতে উপস্থিত সবার স্মৃতিচারণেই ছাত্রলীগের অতীতের সেই সোনালি ভূমিকাগুলোর কথাই উচ্চারিত হয় বারবার। ঘুরেফিরে আসে রাজপথের সংগ্রামে দিনগুলোর কথা। ছাত্রলীগ রাজপথে বিভিন্ন সময় কঠিন ও কষ্টকর দিন পার করেছে। আন্দোলনে সংগ্রামে এদেশের মানুষের দাবি প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছে। সরকার বাংলাদেশকে সমৃদ্ধিশালী দেশ গড়ার যে লক্ষ্য হাতে নিয়েছে, ছাত্রলীগের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে সে লক্ষ্যের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করতে হবে বলেই মত দেন সাবেকরা।

ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর আড়াইটার দিকে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading