ফুলের কারণে শিশুদের উচ্চ রক্তচাপ!

ফুলের কারণে শিশুদের উচ্চ রক্তচাপ!

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১৬ জানুয়ারি ২০২০ । আপডেট ১২:১২

আমরা সবাই ফুল ভালোবাসি। অনেকেই ঘর সাজাতে বা প্রিয় মানুষকে ফুল উপহার দেয়। তবে এই ফুলে রয়েছে শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। সম্প্রতি এক গবেষায় দেখা গেছে যে, ফুলে থাকা বালাইনাশক শিশুদের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সান ডিয়েগো’র একদল গবেষক এ তথ্য পেয়েছেন। এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাটি ইকুয়েডরের ফুল-বাগান অঞ্চলের ৩১৩ জন  ছেলে-মেয়েদের ওপর করা হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, ইকুয়েডর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফুল উৎপাদনকারী দেশ। যারা উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ায় প্রচুর পরিমানে ফুল রপ্তানি করে। বাণিজ্যিকভাবে গোলাপ উৎপাদনের জন্য তারা কীটনাশক, ছত্রাকনাশকসহ নানা ধরনের বালাইনাশক ব্যবহার করে। খুব কম লোকই শরীরের জন্যে এগুলোর ক্ষতিকর দিকগুলোর কথা জানেন। গবেষকদলের অন্যতম সদস্য, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান ডিয়েগোর সহকারী অধ্যাপক সাইদ জোস আর সুয়ারেজ বলেন, ‘গবেষণায় শুধু এটিই পাওয়া যায়নি যে শিশুদের বসবাসকারী কৃষিভিত্তিক অঞ্চলে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েই যাচ্ছে, এটি শিশুদের উচ্চ রক্তচাপও বাড়িয়ে দিচ্ছে।’ সাইদ সুয়ারেজ বলেন, ‘মা দিবসের পর আমরা শিশুদের পর্যবেক্ষণ করলে দেখতে পাই, তাদের সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। শুধু তাই নয়, প্রথম ৮১ দিনের মধ্যে যাদের প্রথমবারের মতো রক্তচাপ পরীক্ষা করা হয়েছে ৯১তম দিনে দ্বিতীয়বার ও ১০০তম দিনে তৃতীয়বারের মতো পরীক্ষায় তা আরও বেড়ে গেছে।’ পূর্ব গবেষণায় দেখা যায়, বালাইনাশক হৃদযন্ত্রের ওপর তেমন প্রভাব ফেলে না, তবে সাইদ সুয়ারেজের দাবি তারা কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকে ক্ষতিকর উপাদান পেয়েছেন। বিশেষ করে ফসফেট মিশ্রিত কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকে ক্ষতিকর বস্তু বিদ্যমান। আর এসব কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ফুল রপ্তানির আগে স্প্রে করা হয় বলেও জানান সাজিদ। সাইদ সুয়ারেজ বলেন, ‘নতুন ফলাফল এটি জানায় যে বালাইনাশক স্প্রে কৃষিভিত্তিক এলাকার শিশুদের বেড়ে ওঠায় প্রভাব ফেলে। তাই যেসব অঞ্চলে শিশুরা বসবাস করে সেসব অঞ্চলে বালাইনাশক স্প্রে কমাতে হবে।’ সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading