বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদে শান্তিপুর্ন ভোট অনুষ্ঠিত, ফলাফলের অপেক্ষা
কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদে শান্তিপুর্ন ভাবে শেষ হলো ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ একটানা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোট শেষে এখন ফলাফলের অপেক্ষায় নগরবাসী ও প্রার্থীরা।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার দুই সিটির ২ হাজার ৪৬৮টি ভোটকেন্দ্রে শনিবার সকাল ৮টা থেকে একযোগে ভোট নেওয়া হয়। ১৭২ জন প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করতেই অনুষ্ঠিত হলো এই বিশাল ভোটযজ্ঞ। এর মধ্যে দুই মেয়র ছাড়াও নির্বাচিত হবেন ১২৯ জন কাউন্সিলর ও ৪৩ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর।
ভোট উপলক্ষে শনিবার সাধারণ ছুটি থাকায় এদিন সকাল থেকে রাজধানীর সড়কগুলো ছিল ফাঁকা। ভোটারদের হেঁটে বা রিকশায় ভোটকেন্দ্রে যেতে দেখা গেছে। লাইন ধরে দাঁড়িয়ে তারা ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছেন। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন তারা।
রাজধানীর সিটি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে এর মধ্যেও বেশ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। একটি কেন্দ্রে সাংবাদিকদের মারধর করা হয়। কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। কয়েক জায়গায় ভাঙচুরও করা হয় প্রতিপক্ষের নির্বাচনী বুথ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় বিরম্বনায় পড়েন ভোট দিতে গিয়ে।
ঢাকা সিটিতে ১৭২জন প্রতিনিধি নির্বাচনের কর্মযজ্ঞকে সুষ্ঠু করতে দুই সিটিতে সব মিলিয়ে ২ হাজার ৪৬৮ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, ১৪ হাজার ৪৩৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও ২৮ হাজার ৮৬৮ জন পোলিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবস্থাপনায় সশস্ত্র বাহিনীর ৫ হাজার ২৮০ জন সদস্য ছিলেন। সবমিলিয়ে দুই সিটির ভোটে ভোটগ্রহণ কমর্কতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৫১ হাজার ৫০ জন।

