মিছিলে পুলিশি বাধা, প্রতিবাদ সমাবেশ বিএনপির

মিছিলে পুলিশি বাধা, প্রতিবাদ সমাবেশ বিএনপির

উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ । আপডেট ২১ঃ২৩

দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত ও কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকা বিক্ষোভ মিছিল পুলিশের বাধার মুখে করতে না পেরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে করেছে বিএনপি।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দলটির পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টায় বিক্ষোভ মিছিল সামনে রেখে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ কার্যালয় ঘিরে রাখে। এর ফলে কার্যালয় থেকে মিছিল বের করতে পারেনি বিএনপি। প্রতিবাদে বিকাল বেলা ৩টার পর আধঘণ্টার সমাবেশ করে বিএনপি।

জানা গেছে, এদিন বেলা ২টার দিকে বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা ফুটপাতের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তখন বলেন, আমাদেরকে মিছিল করতে পুলিশ অনুমতি দিল না। এর প্রতিবাদে আমরা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করব কার্যালয়ের সামনে।

এদিকে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশের খবরে ফকিরাপুল ও কাকারাইলের দিক থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে বিএনপিকর্মীরা কার্যালয়ের দিকে আসতে ‍শুরু করেন। তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এর আগে সকালে বিএনপি অফিসের ৫ গজ দূরেই পুলিশের সাঁজোয়া যানের অবস্থান নিয়ে থাকতে দেখা যায়। কর্মীদের কার্যালয়ে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলেও বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন।

কিছু নেতা-কর্মী এক দফা মিছিলের চেষ্টা করলেও পুলিশের ধাওয়া খেয়ে তারা কার্যালয়ে ঢুকে পড়েন। রিজভীসহ অফিসকর্মীরা আগে থেকেই কার্যালয়ের ভেতরে ছিলেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বেলা ১টার দিকে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান।

মতিঝিল জোন পুলিশের সহকারী কমিশনার জাহিদুর রহমান সোহাগ সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি যে কর্মসূচি দিয়েছে, এর কোনো অনুমতি মহানগর পুলিশ কর্তৃপক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি। জনস্বার্থে আমরা এখানে অবস্থান করছি। অনুমতি ছাড়া কিছু করার সুযোগ নেই। পরে কার্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যরা সরে গিয়ে রাস্তার পাশে অবস্থান নেন।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading