ভোলা সরকারি কলেজে পিঠা উৎসব
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০ । আপডেট ১৬ঃ৫৯
চারদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ। স্টলে স্টলে সারি সারি পিঠার মনোমুগ্ধকর প্রদর্শন। কেউ বানিয়েছেন নবাবি সেমাই, কেউ বানিয়েছেন হৃদয় হরন, কেউবা বাহারি গোলাপ, বউপিঠা, পুলি পিঠা ও চন্দ্র পুলিসহ নানা নামের ও রংয়ের মুখরোচক পিঠা। আজ রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভোলা সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের ছায়াবিথী চত্বর জুড়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ পিঠা উৎসব। ভোলা জেলা প্রশাসন এ উৎসবের আয়োজন করে।
পিঠা উৎসবে বসেছে হরেক রকমের পিঠার মেলা। শিক্ষার্থীদের তৈরিকৃত এসব পিঠা দেখতে স্টলে স্টলে ভিড় করেছে দর্শনার্থীরা। এতে কলেজের হিসাব বিজ্ঞান, ইতিহাস, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, মৃত্তিকা বিজ্ঞান, প্রাণীবিদ্যা, গণিত ও বাংলাসহ ১৬টি ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা স্টল নিয়ে পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন। হিসাব বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী নুশরাত জাহান ঝুমু বলেন, আমাদের স্টলে ৫৬ আইটেমের পিঠা রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলো আকর্ষণীয় নামের পিঠা আছে। এ পিঠা তৈরিতে ডানা, শুভ, সন্তু ও রুপাসহ এক ঝাঁক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। রেডক্রিসেন্ট ভোলা কলেজ ইউনিটও অংশ নেয় পিঠা উৎসবে। এখানে তারা চিরনি, রেডক্রিসেন্ট পিঠা ও সিম্পুল নামের পিঠা তৈরি করেছে। রাফিয়া, মুমাইয়া, তানিয়াসহ কলেজের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়। গণিত বিভাগের শিক্ষার্থীরা ৩২ আইটেমের পিঠা তৈরি করেছে। এর মধ্যে গামা, মুরালী, আলফা পিঠা, সিম্পুল পিঠা, শামুক ও বিবিখানা পিঠাসহ ব্যতিক্রমী নামের পিঠা রয়েছে।
প্রতি বছরের মত এ বছরও বড় পরিসরে পিঠা উৎসবের আয়োজন করে ভোলা কলেজ কর্তৃপক্ষ। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য নানা ধরনের মুখরোচক এ পিঠা প্রদর্শনী করে পুরস্কার তুলে নিতেই বাহারি পিঠা তৈরি করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেন শিক্ষার্থী। পিঠা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর গোলাম জাকারিয়া। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ভোলা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পারভিন আখতার, অধ্যক্ষ দুলাল চন্দ্র ঘোষ, অধ্যক্ষ রুহুল আমিন জাহাঙ্গীর, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ উল্ল্যাহ স্বপন, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের মো. জামাল উদ্দিন, হোসনে আরা বেগম চিনু, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মো. এরশাদ প্রমুখ। পিঠা উৎসবে উপস্থাপনা করেন রাস্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মজিবুর রহমান।

