করোনা চিকিৎসার সব উপকরণ আমদানিতে শুল্ক প্রতাহার
উত্তরদক্ষিণ অনলাইন । ২২ মার্চ ২০২০ । আপডেট ২২:৩৫
নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানো কিংবা রোগ চিকিৎসায় ব্যবহার হয়, এমন ১২টি উপকরণ আমদানি শুল্কমুক্ত করে দিয়েছে সরকার। এসব পণ্য আমদানিতে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত শুল্ক অব্যাহতি দিয়ে রবিবার (২২ মার্চ) প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে এই আমদানির ক্ষেত্রে দুটি শর্ত থাকছে; তা হলো- ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত পরিমাণ পণ্য আমদানি করা যাবে, আমদানি করা পণ্য মানসম্মত কি না, তা অধিদপ্তর কর্তৃক নিশ্চিত করতে হবে।
পণ্যগুলো হলো- ইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল, কভিড-১৯ টেস্ট কিটস বেইজড অন ইম্যুনোলজিক্যাল রিঅ্যাকশন, কভিড-১৯ টেস্ট কিটস (পিসিআর টেস্ট), কভিড-১৯ ডায়ানস্টিক টেস্ট যন্ত্র, বড় পরিমাণে জীবাণুনাশক, থ্রি-প্লাই বা থ্রি লেয়ার সার্জিকাল মাস্ক, প্লাস্টিকের তৈরি সুরক্ষা পোশাক, প্লাস্টিকের ফেইস শিল্ড, স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা পোশাক, ফুল বডি ওভেন স্যুট, মেডিকেল প্রটেকটিভ গিয়ার এবং সুরক্ষা চশমা ও গগলস।
এনবিআর বলেছে, করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারী মোকাবিলয় নিম্নবর্ণিত পণ্যসমূহ আমদানির ক্ষেত্রে সমুদয় আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), আগাম কর এবং অগ্রিম আয়কর (শর্কসাপেক্ষে) অব্যাহতি প্রদান করা হলো।
করোনাভাইরাসের রোগীদের পরীক্ষার উপকরণ এবং চিকিৎসায় চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সরঞ্জামের অপ্রতুলতা নিয়ে আলোচনার মধ্যে এনবিআরের সিদ্ধান্ত এল।
বাংলাদেশে এই পর্যন্ত ২৭ জন করোনাভাইরাসের রোগী ধরা পড়েছেন, এর মধ্যে মৃত্যু ঘটেছে দুজনের। আরো তিনজনের মৃত্যু হয়েছে করোনার উপসর্গ নিয়ে। অবশ্য তাদের করোনা পরীক্ষা না হওয়ায় মৃত্যুর কারণ নিশ্চি করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা।

