ঈদে উপলক্ষে ‘ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য’ রাস্তা উম্মুক্ত
উত্তরদক্ষিণ শুক্রবার ২২ মে ২০২০। ১২:২০
ঈদের ছুটি কাটাতে এবারে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস বা যেকোনো ব্যক্তিগত পরিবহনে ঢাকার বাইরে যেতে বা ঢাকার ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন যে কেউ। তবে কোনও গণপরিবহনকে রাস্তায় চলাচল করতে দেয়া হবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টারের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে পাঠানো এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পুলিশ সড়কে যাত্রীদের সব ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে। এরই মধ্যে ঢাকায় ঢোকা এবং বেরুনোর সড়কগুলো থেকে চেকপোস্ট সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৭ ঢাকার বাইরে যাওয়া এবং প্রবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করে পুলিশ, যা ৩০ মে পর্যন্ত অর্থাৎ ‘সাধারণ ছুটি’ চলাকালীন অব্যাহত থাকার কথা ছিল। এরপরেও অনেক মানুষ ঢাকায় যাওয়া আসা করায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ আসন্ন ঈদে নিজস্ব অবস্থানস্থল না ছাড়ার পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন যে, মানুষ যেন গ্রামের বাড়ি না গিয়ে যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকেন।
করোনাভাইরাসের আরও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ঢাকা থেকে কাউকে বের হতে কিংবা ঢুকতে না দেয়ার এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। ওই নির্দেশনার তিন দিনের মাথায় এবার কড়াকড়ি শিথিল করার কথা বলা হচ্ছে। তবে সেটা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পরিবহনের ক্ষেত্রে। তবে ব্যক্তিগত পরিবহনে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও প্রত্যেককে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মল্লিক ফখরুল ইসলাম শুক্রবার (২২ মে) সকালে গণমাধ্যমকে বলেন, “বাড়িতে গিয়ে যারা ঈদ করতে চেয়েছেন, সরকার তাতে সম্মতি দিয়েছেন। কিন্তু গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। পুলিশ সড়কে নিরাপত্তা দেবে। তবে সবাইকে নিজস্ব পরিবহনে যেতে হবে।”
তবে এ খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় গঠিত ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির’ একজন সদস্য বলেছেন, এটা করা হলে সারা দেশে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি আরো বাড়বে। তবে ঈদের দুদিন আগে শুক্রবার সকালে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ীই কাজ করছেন।

