করোনা সংক্রমনের হার অনুযায়ী জোন ভিত্তিক বিশেষ নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি
উত্তরদক্ষিণ : সোমবার ০৮ জুন ২০২০ । আপডেট মঙ্গলবার ০৯ জুন ২০২০ । ০৩:২২
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমনের হারের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকাকে বিশেষ বিশেষ জোনে (লাল, হলুদ ও সুবজ এলাকা) চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে প্রধানম্নত্রী শেখ হাসিনার সম্মতি মিলেছে। এরমধ্য দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে লাল, হলুদ ও সুবজ জোনে/এলাকায় ভাগ (জোনিং) করার উদ্যোগটি এক ধাপ এগিয়ে গেলো।
সোমবার (০৮ জুন) মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ কথা জানান। তিনি বলেন, কোনো এলাকায় যদি অধিক সংক্রমণ থাকে, সে ক্ষেত্রে যদি ওই এলাকাকে বিশেষ কোনো নিয়ন্ত্রণে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে গতকাল রোববার (০৭ জুন) প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দেন।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ভিত্তিক এলাকা চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রণ (লাল, হলুদ ও সবুজ জোনিং) করার বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইটি ব্যবহার করে জোনিং করার চিন্তাভাবনার বিষয়টিকে প্রধানমন্ত্রী অ্যাপ্রিশিয়েট করেছেন। তবে এটি মন্ত্রিসভার বিষয় নয়। আইন অনুযায়ী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এটি করার কর্তৃপক্ষ। সতকর্তার জন্য ‘রেড জোন’ করাটি ভালো বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
এদিকে সরকারি সিদ্ধান্তে মঙ্গলবার (০৯ জুন) রাত ১২টায্র পর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পূর্ব রাজাবাজার এলাকাকে লাল এলাকা (রেড জোন) ঘোষণা করে লকডাউন শুরু হয়েছে। সোমবার (০৮ জুন) থেকে এ ব্যাপারে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আওয়ামী নেতা ফরিদুর রহমান খান ইরান।
জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে সব এলাকাতে জোনিং কার্যকর করা হবে। সংক্রমণ বিবেচনায় করে চিহ্নিত করা ঢাকার লাল, হলুদ ও সবুজ এলাকা কীভাবে পরিচালিত হবে, তার গাইডলাইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
গাইডলাইনের খসড়াই বলা হয়েছে, লাল জোনে লকডাউন–ঘোষিত এলাকায় অফিস-আদালত বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সাধারণত বন্ধ থাকবে। তবে অতি প্রয়োজনে খুললেও সেটা হবে খুবই নিয়ন্ত্রিতভাবে। ওই এলাকাবাসীর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য হোম ডেলিভারির সুযোগ থাকবে। নির্ধারিত ভ্যানে করে কাঁচাবাজার কেনাবেচার সুযোগ থাকবে। ওই এলাকার চলাচল বন্ধ থাকবে। কেবল মাত্র রাতে মালবাহী যান চলতে পারবে। করোনা ভাইরাসের বিষয়ে চিকিৎসা পরামর্শ নেয়ার ও পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ বুথ থাকবে। সুযোগ।
একটি কেন্দ্রীয় কমিটির অধীনে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে পুলিশ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় জন্সাধারণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে করোনা জনিত বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

