সিলেট-সুনামগঞ্জের ১৮ উপজেলা বন্যায় প্লাবিত, প্রস্তুত ৭৮ আশ্রয়কেন্দ্র

সিলেট-সুনামগঞ্জের ১৮ উপজেলা বন্যায় প্লাবিত, প্রস্তুত ৭৮ আশ্রয়কেন্দ্র

উত্তরদক্ষিণ। সোমবার ২৯ জুন ২০২০। আপডেট ২০:৩০

সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ১৮টি উপজেলার লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। টানা বৃষ্টি ও ইন্ডিয়া থেকে নেমে আসা পাহড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সিলেট জেলার ৮টি ও সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলার বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কয়েকটি উপজেলায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, সুরমা নদীর পানি সবক’টি পয়েন্টেই বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩ দশমিক ৩৬ সেন্টিমিটার, সিলেট পয়েন্টে ১০ দশমিক ৭৭ সেন্টিমিটার এবং সুনামগঞ্জ পয়েন্টে ৮ দশমিক ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা কোম্পানীগঞ্জ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একইসঙ্গে গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট সদর, গোলাপগঞ্জ উপজেলা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে মানুষের আবাসঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ। এমনকি সিলেট শহরের বেশ কিছু আবাসিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। সদর উপজেলায় বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

অপরদিকে সুরমা ও জাদুকাটা নদীর পানি বিপদসীমার প্রায় ১ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সুনামগঞ্জের সবক’টি উপজেলা ও পৌরসভা প্লাবিত হয়েছে। শাল্লা, ছাতক, দোয়ারা ও তাহিরপুর উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম জানিয়েছেন, বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য সিলেট জেলায় ২শ’ ৬৬ মেট্রিকটন চাল এবং শুকনো খাবারের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গতকাল রোববার থেকে তা বিতরণ করাও শুরু হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্যায় গৃহহীনদের জন্য ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। করোনা (কভিড-১৯) পরিস্থিতি মাথায় রেখে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী। সূত্র: বাসস।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading