বছর শেষে ঘুুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী

বছর শেষে ঘুুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি: বাণিজ্যমন্ত্রী

উত্তরদক্ষিণ । শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২০ । আপডেট ১৬:০০

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত। রপ্তানিসহ নানা খাতে এর তীব্র প্রভাব পড়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন চলতি বছরের মধ্যেই করোনা সংকটের অবসান হবে এবং আগামী বছরের শুরুতেই দেশের অর্থনীতি ভালভাবে ঘুরে দাঁড়াবে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) ‘কোভিড-১৯ অ্যান্ড বাংলাদেশ ইকোনমি’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিসার্স এন্ড পলিসি ইনটিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (র‌্যাপিড) এবং দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ইআরএফ কর্মশালার আয়োজন করে। ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র‌্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক। বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের গেষ্ট অফ অনার বিল্ড-এর চেয়ারম্যান আবুল কাশেম খান ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র সভাপতি সামস মাহমুদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দি এশিয়া ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও র‌্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আবু ইউসুফ বক্তৃতা দেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, করোনায় যেমন সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তেমনই অনেক সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে। অনেক দেশ এখন পণ্য আমদানিতে চীনের উপর নির্ভরতা কমাতে চাচ্ছে। অনেক দেশ চীন থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে অন্য দেশে বিনিয়োগ করার কথা ভাবছে। এছাড়া চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য বিরোধের কারণেও চীনকে আর ততটা নির্ভরযোগ্য মনে করছে না বিভিন্ন দেশ। এটি আমাদের জন্য বেশ সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দ্রুত নানা উদ্যোগ নিতে হবে। ঢিলেমি এসব সম্ভাবনা হাত ছাড়া হয়ে যেতে পারে। সরকার বিষয়টি উপলব্ধি করে সে অনুসারে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি জানান।

র‌্যাপিড চেয়ারম্যান ড. আবদুর রাজ্জাক জানান, করোনার কারণে বিশ্ববাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। পণ্য আমদানিতে অনেক দেশ রক্ষণশীল অবস্থান নিতে পারে।এছাড়া করোনা পরবর্তীকালে অনেক দিন পর্যন্ত পর্যটন বা মানুষের চলাচল সীমিত থাকতে পারে। তাতে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্যসহ অনেক পণ্যের চাহিদা কমে যেতে পারে। এমন অবস্থায় রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে হলে নানামুখী উদ্যোগ নিতে হবে। সূত্র: বাসস।

Md Enamul

Leave a Reply

Discover more from Daily Uttor Dokkhin উত্তরদক্ষিণ

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading