দায়িত্বগ্রহণের পর টেকনোলজিস্টদের অনশন ভাঙালেন স্বাস্থ্যের ডিজি
উত্তরদক্ষিণ । রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০ । আপডেট ২১:৫৩
কাজে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আন্দোলনকারী মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অনশন ভাঙালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। রবিবার (২৬ জুলাই) আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটরী মেডিসিন এ্যান্ড রেফারেল সেন্টারের প্রায় অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে শরবত খাইয়ে অনশন ভাঙান তিনি।
চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির সামনে তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করেন। রবিবারও চলছিল তাদের কর্মসূচি। এদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দায়িত্বগ্রহণ করে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক আগারগাঁওয়ে যান। করোনাভাইরাস মহামারীর সময় কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষায় স্বেচ্ছাসেবীর ভূমিকা পালন করায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
ডা. খুরশীদ বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি আমি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাকে বলেছেন- আপনাদেরকে এই বার্তা দেওয়ার জন্য যে, আপনাদের বিষয়টি তিনি দেখবেন। আপনাদের তিনি বলেছেন- কাজ চালিয়ে যেতে। এরপরও যদি আপনারা কাজ করতে না চান তাহলে তো জোর করে করানো যাবে না। বিষয়টি এমন নয়- এখনই চাইলে পূরণ করে দেওয়া সম্ভব। কিছুটা সময় লাগবে।
ডিজি বলেন, ‘আপনাদের নিয়োগটা কেন হয়নি- সেটা আমি জানি না। আমি আজ মাত্র জয়েন করেই এখানে এলাম। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, এটার একটা ফয়সালা হবে। আমি ডিজি হিসেবে কথা দিতে পারি, আমার পর্যায় থেকে এ বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, কর্মবিরতির কারণে নমুনা পরীক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে বিদেশগামী অনেকের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। যারা বিদেশ যেতে চান তাদের করোনা টেস্ট বাধ্যতামূলক। যাদের যাওয়ার সুযোগ আছে, তাদের করোনা টেস্ট করা জরুরি। করোনাভাইরাস টেস্ট করতে না পেরে কাল অনেকের ফ্লাইট মিস হয়েছে। তাদের কথাটাও চিন্তা করতে হবে। এজন্য আমি মন্ত্রী মহোদয়ের মেসেজটা তাদের দিতে এসেছি।
মহাপরিচালকের আশ্বাসে পরে কাজে যোগ দেন মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। এর আগে রবিবার সকাল ১০টার দিকে মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিজের নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন ডা. খুরশীদ আলম। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে পরিচিত হন তিনি।

